মুম্বই: মহারাষ্ট্রে করোনা প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্ধব সরকার মহারাষ্ট্রে জারি করেছে ১৪৪ ধারা। এই ধারা জারি হওয়ার ফলে একসঙ্গে কোন জায়গায় পাঁচ থেকে ছয় জনের বেশি ব্যক্তি জটলা করতে পারবে না। এছাড়াও বেশ কিছু রাজ্যের মত মহারাষ্ট্রেও নাইট কার্ফু ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বি টাউন সেলেবরা একে একে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বন্ধ করা হয়েছে বলিউড ইন্ডাস্ট্রির শুটিং। তাই বলি তারকাদের ভ্যানিটি ভ্যান এবার কাজে লাগান হচ্ছে মহারাষ্ট্র পুলিশদের পরিষেবায়।

অভিনেতাদের মূলত শুটিংয়ের সময় বিশ্রাম নেওয়া, স্ক্রিপ্ট পড়া, মেকআপ করা এই সকল কিছুর জন্যেই প্রত্যেক অভিনেতাদের থাকে নিজস্ব একটি ভ্যানিটি ভ্যান। তবে বি টাউনে এখন শুটিং বন্ধ। ফাঁকা পড়ে আছে সেলেবদের ভ্যানিটি ভ্যান গুলি। আর তাই এগুলিকে মহারাষ্ট্র পুলিশদের পরিষেবার কাজে লাগান হচ্ছে, এমনটাই জানালেন মুম্বইয়ের এক ভ্যানিটি ভ্যান সরবরাহরারি সংস্থার মালিক কেতন রাওাল। মহারাষ্ট্রে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর যে সকল পুলিশ বাহিনি দিন রাত ডিউটি দিচ্ছেন তাদের পরিষেবাতে ইতিমধ্যে প্রায় ছয় থেকে সাতটি ভ্যানিটি ভ্যান কাজে লাগিয়েছেন রাওাল।

দুই দশকের বেশি সময় ধরে রাওাল এই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, রোহিত শেট্টীর ছবি ‘সার্কাস’, সঞ্জয় লীলা বনসালির ছবি ‘গাঙ্গুবাই কাথিওয়াদি’এবং আনন্দ এল রায়ের ‘রাকশা বান্ধন’ ছবির ভ্যানিটি ভ্যান গুলি মহারাষ্ট্র পুলিশের পরিষেবায় কাজে লাগাচ্ছেন।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের থানে পুলিশ কমিশনার রাওাললের কাছে ফোন করায় তিনি আরও দশটি ভ্যানিটি ভ্যান পুলিশ অফিসার এবং কনস্টেবলদের পরিষেবার নিযুক্ত করেছেন। রাওাল বলেছেন, ‘আমি আরও বেশ কিছু সংখ্যক ভ্যানিটি ভ্যান মহারাষ্ট্র পুলিশদের কাজে নিযুক্ত করেছি। কারণ তারাই হল করোনা যুদ্ধে প্রথম সারির কর্মী। গতবছরও আমি মহিলা পুলিশদের পরিষেবায় দিয়েছিলাম কিছু ভ্যান। তাদের বিশ্রাম, শৌচ, বাড়ি ফেরার আগে পোশাক পরিবর্তন সকল কিছুর জন্যেই’।

রাওাত বলিউডের কঙ্গনা রানাওয়াত, তাপসী পান্নু, শিল্পা শেঠী, জন এব্রাহাম প্রমুখ বিখ্যাত তারকাদের জন্যে ভ্যানিটি ভ্যান প্রদান করে থাকেন। তিনি জানিয়েছেন, আবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভ্যানিটি ভ্যান গুলি ভালোভাবে স্যানিটাইজ করে পুনরায় অভিনেতাদের জন্যে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.