বার্লিন: ফের করোনা পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করছে জার্মানিতে। একদিকে যেমন প্রতিষেধক টিকার সংকট রয়েছে অন্যদিকে আবার ক্রমাগত করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। এহেন পরিস্থিতিতে তা মোকাবিলা করতে জার্মানি এবার লকডাউনের পথে হাঁটতে চলেছে । পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে দেশের ষোলটি প্রদেশের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সিং মাধ্যমে বৈঠক করেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল । তারপর তিনি এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

বিভিন্ন সূত্রে খবর, ২৮ মার্চ ‌থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন করার কথা ভাবা হয়েছে। বিশেষত পয়লা থেকে ৫ এপ্রিল ইস্টারের সময় কড়া ভাবে লকডাউন জারি করা থাকবে। সব দোকানপাট বাজার ইত্যাদি বন্ধ রাখা হবে। কোনরকম জমায়েত করতে দেয়া হবে না। শুধুমাত্র জরুরি পণ্য ও পরিষেবার জায়গাগুলি খোলা রাখা হবে। অনলাইনে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিনোদন ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গুলিকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে।

জার্মানিতে  এখন নয়া বৈশিষ্ট্যের করোনা ছড়াচ্ছে বললে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এই দেশে সংক্রমণের হার আমেরিকার চেয়েও বেশি বলে জানানো হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিকে অতিমারির নতুন অধ্যায় বলে দাবি করা হয়েছে এবং এই ভাইরাস আরো মারাত্মক বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কেল। তিনি জানিয়েছেন, ক্রমশ পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ায়। এর ফলে হাসপাতালের  জায়গা কমে যাচ্ছে। যদিও ইতিমধ্যে সংক্রমণ কমায় বেশ কিছু প্রদেশ স্কুল খুলতে শুরু করেছিল। সরকারের পক্ষ থেকে তখন ওইসব স্কুলপড়ুয়া এবং শিক্ষকদের করোনা পরীক্ষার করানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

ইতিমধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানিয়েছে, করোনাকে আটকাতে হলে গণ টিকাকরণ একান্ত জরুরি।‌ সেক্ষেত্রে সব দেশের করোনা যোদ্ধা এবং প্রবীনদের টিকা দেওয়াটা দরকার। এই বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে, ধনী দেশগুলিতে প্রথম পর্যায়ের টিকাকরণ শেষ করে নবীন প্রজন্মকে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু গরিব দেশগুলিতে এখনো করোনা যোদ্ধারাও ঠিকমতো টিকা নিতে পারেনি। এমন বৈষম্যের শুধু অভিযোগ নয় এই বিষয়ে হু এর শীর্ষ আধিকারিকেও সুর চড়াতে দেখা গিয়েছে ।

গত এক বছরের বেশি সময় ধরেই করোনা অতি মহামারী গোটা বিশ্ব জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এই মারণ রোগের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে লকডাউনের পথে যেতে হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে। কিন্তু এই লকডাউন এর ফলে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতি ধাক্কা খেয়েছে। যার জন্য বিতর্ক দানা বেঁধেছে স্বাস্থ্য না অর্থনীতি কোনটাকে অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.