স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জা। ১৪ দিন জেল হেফাজতের পর মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হয়। ফের তাকে পাঠানো হল জেলে।

নারদা কান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের নামে ডেকে গ্রেফতার করা হয় আইপিএস এসএমএইচ মির্জাকে। সেই সময় তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আজ মঙ্গলবার ফের তাকে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট এর সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে পুলিশ কর্তাকে ফের জেলে পাঠালো আদালত। আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

আইপিএস মির্জার আইনজীবী এদিন জামিনের আবেদন করলে, আদালত তা খারিজ করে দেয়। অন্যদিকে সিবিআইয়ের আইনজীবী মির্জার জামিনের বিরোধিতা করেন। পুজোর ঠিক আগে গ্রেফতার করা হয় আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জাকে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, পুজোর আগে প্রথম নারদ মামলায় কোনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে সিবিআই। গত ২৬ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার বয়ানে অসংগতি মেলায় গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালতে তোলা হলে ৫ দিনের সিবিআই হেফাজত হয় মির্জার। তখন বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের এলগিন রোডের ফ্ল্যাটে এসএমএইচ মির্জাকে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে সিবিআই।

অভিযোগ, নারদ ভিডিয়োয় নারদকর্তা ম্যাথু স্যামুয়েলের হাত থেকে টাকা নিতে দেখা গিয়েছিল মির্জাকে। ম্যাথুর দাবি, মুকুল রায়ের পরামর্শেই পুলিশ কর্তা মির্জার সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। সিবিআইয়ের দাবি, মির্জার বিরুদ্ধে একাধিক তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। নারদ কাণ্ডে তাঁর ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়৷ তার কণ্ঠস্বরের নমুনাও সংগ্রহ করেছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা৷ তারপরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়৷

মির্জাকে গ্রেফতারের আগে গত ২৪ জুন নিজাম প্যালেসে প্রায় চার ঘন্টা সিবিআই জেরার মুখোমুখি হন ম্যাথু স্যামুয়েল৷ নারদ তদন্তে এর আগে বেশ কয়েকবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা ম্যাথুকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছেন৷ এবং জেরা করা হয় বহিষ্কৃত আইপিএস এসএমএইচ মির্জাকেও৷ তারপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়।