ওয়েলিংটন: সংযুক্ত আরব আমিরশায়ী ও শ্রীলঙ্কার পর আইপিএল আয়োজন নিয়ে প্রস্তাব দিল নিউজিল্যান্ড৷ চলতি টি-২০ বিশ্বকাপ স্থগিত ঘোষণা করতে চলেছে আইসিসি৷ আর এর ফলে আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণের ভাগ্য খুলতে চলেছে৷

অস্ট্রেলিয়ায় মাটিতে যে সময়ে অর্থাৎ অক্টোবরে-নভেম্বরে টি-২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু বিশ্বকাপ স্থগিত হয়ে গেলে এই ফাঁকা উইন্ডোতে আইপিএল আয়োজন নিয়ে আশাবাদী বিসিসিইআই৷ কিন্তু করোনা নামক অতি মহামারী ভারতে যেভাবে ক্রমশ তাঁর ধাবা বিস্তার করছে, তাতে দেশের মাটিতে এই বছর আইপিএল কোনওভাবেই সম্ভব নয়৷

তাই আইপিএল আয়োজন নিয়ে ইতিমধ্যেই উৎসাহ দেখিয়েছে বেশে কয়েকটি দেশ৷ প্রথম আইপিএল আয়োজনের প্রস্তাব দেয় সংযুক্ত আরব আমিরশাহী৷ তারপর প্রস্তাব দেয় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড৷ সর্বশেষ আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণ আয়োজন নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে করোনামুক্ত নিউজিল্যান্ড৷

বিসিসিআই-এর কর্তা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, ‘আইপিএল আয়োজনের প্রথম পছন্দ দেশের মাটিতে করা৷ কিন্তু তাতে যদি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা প্রশ্ন থাকে, তাতে আমরা এটি বিদেশেও আয়োজন করতে পারি৷ সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও শ্রীলঙ্কার পর নিউজিল্যান্ডও আইপিএল আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে৷’

এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের (ব্রডকাস্টার, টিম, ইত্যাদি) এর সঙ্গে বসব এবং তারপর ঠিক করব। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা সর্বজনীন। এ নিয়ে কোনও আপস করা হবে না৷’

অতীতে বিদেশে আইপিএল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০০৯ প্রথমবার আইপিএল হয়েছিল বিদেশের মাটিতে৷ দেশের সাধারণ নির্বাচনের কারণে পুরো টুর্নামেন্টটি হয়ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে৷ পরে ২০১৪ সালে একই কারণে আংশিকভাবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে বসেছিল আইপিএলের আসর৷

বিদেশে যদি হয়, তবে টুর্নামেন্টের আয়োজক সংযুক্ত আরব আমিরশাহী আবার প্রথম পছন্দ৷ আর শ্রীলঙ্কা একটি সাশ্রয়ী মূল্যের বিকল্প৷ অন্যদিকে COVID-19 থেকে মুক্ত নিউজিল্যান্ডে সমস্যা হল সময়ের প্রার্থক্য৷ নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে, ভারতের সাড়ে সাত ঘন্টা সময় পার্থক্য রয়েছে৷ যদি বেলা সাড়ে বারটায় খেলা শুরু হয়, সর্বাধিক অফিস-যাত্রীরা খেলাটি সরাসরি দেখতে মিস করবেন।

এছাড়াও হ্যামিল্টন এবং অকল্যান্ড ছাড়াও বাকি শহরগুলি যেমন ওয়েলিংটন, ক্রাইশ্চার্চ, নেপিয়ার বা ডুনেডিনের মতো শহরগুলিতে যাওয়ার জন্য বিমানের প্রয়োজন হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।