কলকাতা: ব্রেন ডেথ হওয়া যুবকের হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন করা হল এক কিশোরের শরীরে। পূর্ব ভারতে এটাই কনিষ্ঠতম মরণোত্তর হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া। হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে এই কঠিন অস্ত্রোপচারটি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অস্ত্রোপচারের পর আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে ওড়িশার ১৩ বছরের কিশোরটি।

পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের ২২ বছরের এক যুবক কয়েকদিন আগে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে ওই যুবককে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতেল নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন পরিবারের সদস্যরা। অবস্থার আরও বেশি অবনতিতে পরে তাঁকে কলকাতায় ইএম বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানেই ব্রেন ডেথ হয় যুবকের। ছেলের ব্রেন ডেথের কথা জেনে শোকে ভেঙে পড়েন বাবা সুখদেব অধিকারী। পরে হাসপাতালের তরফেই ওই যুবকের পরিবারকে অঙ্গদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়। ছেলের অঙ্গ অন্যের শরীরে গিয়ে বাঁচবে একথা জানার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায় যুবকের পরিবার।

ওই যুবকের অঙ্গ দানে তাঁর পরিবার সম্মত হতেই গ্রহীতার খোঁজ শুরু হয়। খবর মেলে, ওড়িশার বাসিন্দা এক কিশোরের হৃদযন্ত্রের সমস্যা রয়েছে ছোট থেকেই। তার হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। সেই মতো হাওড়ার ওই বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিয়ে যাওয়া হয় সবংয়ের যুবকের হৃদযন্ত্র। পরে তা প্রতিস্থাপন করা হয় কিশোরের দেহে। জানা গিয়েছে, ওই যুবকের দু’টি কিডনি, লিভার এবং কর্নিয়াও সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই অঙ্গগুলিও অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হবে।

এদিকে, ছেলের আচমকা এই মর্মান্তিক পরিণতিতে দিশেহারা পরিবার। তবে সান্তনা একটাই অন্যের শরীরে গিয়ে বেঁচে থাকবে ছেলের হৃদয়। এমনই বলছেন যন্ত্রণাকাতর বাবা। গত কয়েক বছরে শহর কলকাতার একাধিক হাসপাতালে অঙ্গ প্রতিস্থাপন হয়েছে। ব্রেন ডেথ হওয়া মানবশরীর থেকে অঙ্গ নিয়ে অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

বর্তমানে সরকারিস্তর থেকে তো বটেই বহু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও অঙ্গ দানে উৎসাহ দেয়। গত কয়েক বছরে কলকাতার একাধিক হাসপাতালে একের পর এক সফল অঙ্গ প্রতিস্থাপন হয়েছে। শুধু এরাজ্যেই নয়। বাংলা থেকে অঙ্গ নিয়ে বিমানে তা পৌঁছে গিয়েছে ভিনরাজ্যেও। তেমনি বাইরের রাজ্য থেকেও অঙ্গ এনে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে এরাজ্যের হাসাপাতালে ভর্তি কোনও মুমূর্ষূ রোগীর শরীরে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।