ফাইল ছবি

শ্রীনগর : গত সাত দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষমেশ জীবন যুদ্ধে হেরে গেলেন আরও এক জওয়ান৷ পুলওয়ামাতে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে আহত জওয়ান সন্দীপ মঙ্গলবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন৷ গত সাত দিন ধরে তাঁকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছিল৷ সাত দিন ধরে সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন এই জওয়ান৷ মঙ্গলবার শ্রীনগরে সেনার বেস হাসপাতালে মারা যান তিনি৷

সিআরপিএফ জওয়ানদের উপর হামলার ঠিক দুদিন আগে পুলওয়ামাতে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে সন্দীপের শরীরে চারটি গুলি লাগে৷ এই লড়াইয়ে সেনা দুই সন্ত্রাসবাদীকে খতম করতে সফল হয়েছিল৷ যে দিন সন্দীপের গুলি লেগেছিল সেই দিনই তার জন্মদিন ছিল৷ মঙ্গলবার জওয়ানের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছন মাত্রই গোটা গ্রাম শোকে ডুবে যায়৷ বুধবার দুপুর নাগাদ এই শহিদ জওয়ানের মৃতদেহ তাঁর বাড়িতে পৌঁছবে৷

অটালি গ্রামের বাসিন্দা সন্দীপ সেনার দশ প্যারা ইউনিটের নায়ক হাবিলদার ছিলেন৷ সন্দীপের ভাই সোনু জানিয়েছেন ১২ই ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামার কাছে রত্নাপুরি নামে একটি গ্রামে তিন জন জঙ্গির লুকিয়ে থাকার খবর পাওয়া যায়৷ এই খবর পাওয়া মাত্র সেনাবাহিনী সেই এলাকায় পৌঁছয়৷ সেখানে গুলির লড়াইয়ে সেনা দুই জঙ্গিকে খতম করে৷ তবে ঘটনাস্থল থেকে একজন জঙ্গি পালিয়ে যায়৷ সেনা এবং জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে জওয়ান সন্দীপের শরীরে চারটি গুলি লাগে৷

গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে শ্রীনগরে সেনার বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানেই আইসিইউতে গত সাত দিন চিকিৎসাধীন ছিল সে৷ সোমবার সন্দীপের বাবা,মা এবং স্ত্রী শ্রীনগর পৌঁছন৷ সন্দীপ ২০১৫ সালে সেনায় ভরতি হন৷ তাঁর স্ত্রী এবং তিন সন্তান রয়েছে৷