নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় শাসনের আওতায় এসেছে কাশ্মীর। কিছুদিন ধরেই কাশ্মীরে নানা সমস্যা জটিল আকার ধারণ করেছিল। এবার থেকে ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারা কাশ্মীরে আর কার্যকর হবে না। ফলে আর পাঁচটা রাজ্যের মতোই সমান সুবিধে পাবে কাশ্মীর। এবার থেকে আর বিশেষ সুযোগ-সুবিধের অংশীদার থাকল না ভূস্বর্গ।

বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সারা পৃথিবীর ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রিকে কাশ্মীরে আহ্বান জানিয়েছিলেন। আর মোদীর ভাষণের পরেই ভূস্বর্গে জমি খুঁজতে শুরু করেছে কার্নিভাল সিনেমা। জানা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরে ৩০ টি, লাদাখে ৫ টি স্ক্রিন খুলতে চলেছে কার্নিভাল। এর জন্য জায়গা খোঁজাখুঁজিও শুরু করে দিয়েছেন কর্মকর্তারা।

নরেন্দ্র মোদী তাঁর ভাষণে বলেন, ‘একটা সময় ছিল যখন কাশ্মীর বলিউডের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের প্রিয় গন্তব্য ছিল। সেই সময়ে কাশ্মীরের কোনও চিত্রই শুটিং হয়নি। কাশ্মীরের স্বাভাবিক অবস্থা পুনরুদ্ধার হওয়ার পরে আমি আত্মবিশ্বাসী যে ভবিষ্যতে ভারতীয় তো বটেই, এমন কি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রও সেখানে শুটিং হবে। এটি স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়িয়ে তুলবে। আমি বিশেষ করে হিন্দি, তামিল ও তেলুগু চলচ্চিত্র নির্মাতাদের অনুরোধ করছি, তারা যেন আবারও জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখে ছবির শ্যুটিং করেন।’

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এবার থেকে কাশ্মীরের ভূমিপুত্ররা বঞ্চিত হবেন নিজেদের অধিকার থেকে। কারণ, কাশ্মীর থেকে ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারা উঠে যাওয়ায় সেখানে এবার থাবা বসাবে কর্পোরেট রাজ। গড়ে উঠবে শপিং মল, মাল্টিপ্লেক্স, ফ্ল্যাট কালচার ইত্যাদি। কার্নিভাল কি তারই প্রথম পদক্ষেপ? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।