কলকাতা: ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের দিন বড় চমক হিসেবে‌ দেখা যেতে পারে কলকাতার রেড রোডে ট্রাক্টর চলতে। বিধানসভা ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করতে বামেরা বিগ্রেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। ওই সমাবেশে কংগ্রেসেরও থাকার কথা। তবে সেদিনের সমাবেশে বড় চমক হয়ে উঠতে পারে কলকাতার রাজপথে এই ট্রাক্টর প্রদর্শন। দিল্লির রেড ফোর্টের পর কলকাতার রেড রোডে ট্রাক্টরের দেখা মিলতে পারে সেই দিন। সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তি প্রতিবেদনে এমনটাই জানা যাচ্ছে।

ব্রিগেডের সমাবেশেও কৃষি আইন বাতিলের দাবি উঠবে ফলে বাংলা কৃষকদের জমায়েত দেখা যাবে। এজন্য সারা ভারত কৃষক সভা গ্রাম সভা থেকে হাট সভায় প্রচার চালাচ্ছে ব্রিগেডের সমাবেশের জন্য। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় জেলায় ব্রিগেড সমাবেশের প্রচারের জন্য ছোট-বড় মিছিল সভা জ্যাঠার আয়োজন করা হয়েছে । কারণ ১৫ ফেব্রুয়ারি সারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সমস্ত কৃষক ক্ষেতমজুরদের ব্রিগেডে নিয়ে আসা হবে। এই প্রসঙ্গে সারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য সম্পাদক অমল হালদার জানিয়েছেন, গ্রামের গরিব মানুষেরা যাতে ব্রিগেডমুখী হয় সেদিকে জোর দেওয়া হচ্ছে।

এবারের ব্রিগেডের সভার প্রচারে কৃষি আইন বাতিলের দাবির পাশাপাশি কৃষক আন্দোলনের মৌলিক দাবিগুলির তোলা হচ্ছে। ফলে গ্রামের শ্রমজীবী মানুষের কাজে নিরাপত্তার জন্য ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পকে দ্বিগুণ করে ২০০ দিনের করার দাবি তোলা হয়েছে। তাছাড়া স্বামীনাথন কমিশনের সুপারিশ অনুসারে উৎপাদন খরচের দেড় গুণ দাম যোগ করে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য করার এবং সমস্ত রকম কৃষি ঋণ মুকুব এর দাবি তুলে প্রচার চলছে।

কেন্দ্রে তিনটি কৃষি আইনের বিরোধিতা করছে কৃষকরা। নয়া কৃষি আইনের বিরোধিতার পাশাপাশি বৃহৎ পুঁজির বিরুদ্ধে সরাসরি বিরোধিতার রাস্তায় নেমে দিল্লি সীমান্তে আড়াই মাসের বেশি সময় ধরে আন্দোলন চালাচ্ছে পাঞ্জাব হরিয়ানা উত্তরপ্রদেশ রাজস্থানের কৃষকেরা। এই পরিস্থিতিতে দেখা গিয়েছে ২৬ নভেম্বর ধর্মঘট, ৮ ডিসেম্বর সর্বভারতীয় হরতাল হতে ‌। আবার ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন আন্দোলনরত কৃষকেরা ট্রাক্টর নিয়ে কৃষাণ প্যারেড করেছেন। সেখানকার আন্দোলনরত কৃষকদের প্রতি সহমর্মিতা এবং ভাতৃত্ববোধ দেখিয়েছে এ রাজ্যের কৃষকেরাও। দিল্লির পাশাপাশি এ রাজ্যের জেলায় জেলায় ট্রাক্টর পাওয়ার টিলার মোটরসাইকেল নিয়ে এমনকি পায়ে হেঁটেও মিছিল বের করেছিল কৃষক ক্ষেতমজুররা। উত্তরের জেলাগুলির পাশাপাশি দক্ষিণের জেলাগুলিতেও প্রতিদিনই বলতে গেলে পথে নেমেছে কৃষকেরা। কৃষিতে বৃহৎ পুঁজির বিরোধিতা করতে গিয়ে স্লোগান উঠেছে আম্বানি আদানি এবং তাদের পণ্য বয়কটের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।