নয়াদিল্লি : রাম মন্দিরের স্বপ্ন সফল হয়েছে, এবার নজর দেওয়া দরকার কাশী ও মথুরার দিকে। সেখানেও একের পর এক মন্দির গড়ে তুলতে হবে। তার জন্য যদি কঠিন পদক্ষেপ নিতে হয়, তাই নেওয়া হবে। এমনই বিতর্কিত মন্তব্য বিজেপি নেতা ও রাম মন্দির আন্দোলনের অন্যতম মুখ বিনয় কাটিয়ারের।

কাটিয়ারের দাবি এবার বিজেপি ও অন্যান্য হিন্দু সংগঠনগুলির উচিত কাশী ও মথুরায় একের পর এক মন্দির গঠনের দিকে নজর দেওয়া। সংবাদসংস্থা আইএএনএসকে দেওয়া সাক্ষাতকারে কাটিয়ার বলেন অযোধ্যার মতো কাশী ও মথুরাকেও মন্দির নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এই দুটি জায়গার কাজ এখনও বাকি আছে।

কাশীর জ্ঞানভাপী মসজিদ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক। এই প্রেক্ষিতেই কথা বলতে গিয়ে কাটিয়ারের বক্তব্যে উঠে আসে রাম মন্দির ইস্যু। তিনি বলেন তৎকালীন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুলায়ম সিং যাদবের লজ্জা হওয়া উচিত। যেভাবে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময় করসেবকদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি, তাতে অযোধ্যা রক্তাক্ত হয়েছিল। গুলি না চালানো হলে, গোটা প্রক্রিয়া বিনা রক্তপাতেই শেষ হত।

এরপরেই তাঁর কথায় উঠে আসে বারাণসীর জ্ঞানভাপি মসজিদের নাম। উল্লেখ্য এই মসজিদ দীর্ঘদিন ধরেই গেরুয়া শিবিরের নজরে রয়েছে। এই মসজিদের দেওয়াল ও কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের দেওয়াল একটাই। এই মসজিদ বহুবার ভাঙা হয়েছে, আবার নতুন করে গড়ে তোলা হয়েছে বলে সাক্ষী রয়েছে ইতিহাস। ১৬৬৯ সালে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব এই মসজিদ তৈরি করেন। মন্দিরের ওপর মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল বলে বিতর্ক বহুদিনের।

এরকমই একটি মসজিদ হল মথুরার শাহী ইদগাহ মসজিদ। কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দিরের গায়েই গড়ে উঠেছে মথুরার শাহী ইদগাহ মসজিদ। ১৬৭০ সালে ঔরঙ্গজেবই এটি তৈরি করেন। একটি মন্দির ভেঙে এটি তৈরি হয়। ১৯৯৭ সালে আউটলুক পত্রিকায় প্রকাশিত এক রিপোর্ট বলছে এই ইস্যুতে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তখন কাটিয়ার।

তিনি বলেছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নিজের সর্ব শক্তি দিয়ে মথুরার ওই মসজিদ দখল করবে। তিনি ততক্ষণ চুপ করে থাকবেন না, যতক্ষণ না বজরংবলী মসজিদ দখল করেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ