অযোধ্যা: বুধবারই অযোধ্যা সফরে যাচ্ছেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী৷ আর সেই সফর ঘিরে সাজ সাজ রব অযোধ্যায়৷ স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে চারিদিকে পোস্টার দেওয়া হয়েছে৷ সেই পোস্টার নজর কেড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার৷

পোস্টারে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে রাম ভক্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে৷ রামের ছবির পাশে প্রিয়াঙ্কার ছবি দেওয়া হয়েছে, যেখানে হাত জোড় করে রয়েছেন তিনি৷ অযোধ্যায় প্রচারের আগেই তাঁর এই রাম ভক্ত রূপ নতুন রাজনৈতিক কৌশল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল৷ উল্লেখ্য অযোধ্যার পাশাপাশি প্রিয়াঙ্কা কংগ্রেস গড় রায়বরেলি, অমেঠি ও বরাবাঙ্কি যাবেন বলে জানা গিয়েছে৷

ওই বহুল চর্চিত পোস্টারে প্রিয়াঙ্কার সাথে রাহুলেরও ছবি রাখা হয়েছে৷ বিজেপির রামমন্দির ইস্যু ঝড় আটকাতে প্রিয়াঙ্কা ও রাহুলকে রাম ভক্ত হিসেবে দেখানোর সিদ্ধান্ত বলেই মনে করা হচ্ছে৷ একদিকে প্রিয়াঙ্কা ও অন্যদিকে রাহুল গান্ধী, মাঝখানে ভগবান রামের ছবি রেখে পোস্টারগুলি সাজানো হয়েছে৷

স্বাভাবিকভাবেই রামভক্ত প্রিয়াঙ্কার এই পোস্টার বিজেপির সমালোচনার মুখে পড়েছে৷ উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী মহসিন রাজা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর অযোধ্যা সফরকে কটাক্ষ করেছেন৷ রামের অস্তিত্ব নিয়ে যারা একসময় প্রশ্ন তুলেছিল, তারাই এখন রাম ভক্ত সেজে অযোধ্যা যাচ্ছে বলে ব্যঙ্গ করেছেন তিনি৷

উল্লেখ্য ফেব্রুয়ারি মাসে এই ধরণের পোস্টার লাগানো হয়েছিল রাহুল গান্ধীকে কেন্দ্র করে৷ সেখানে রাহুলকে রামের ভূমিকায় দেখানো হয়েছিল৷ যিনি রাবণ রূপী মোদীকে তীরবিদ্ধ করছেন৷ মধ্যপ্রদেশের কৃষক সভায় যোগ দিতে যাওয়ার আগে এই ধরণের পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছিল ভোপাল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।