শ্রীনগর: ৪০জন নয় এবার টার্গেট আরও বড়ো জনসংখ্যা৷ পুলওয়ামার ঘটনাতে সাহস পেয়ে ভারতে আরও বড় মাপের জঙ্গিহানার ছক কষছে জইশ-ই-মহম্মদ৷ এমনই রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে দেশের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে৷ বুধবার ভারতীয় গোয়েন্দা বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন পুলওয়ামাতেই থেমে থাকতে চাইছে না জইশ৷

তবে এবার শুধু কাশ্মীর নয় সঙ্গে জন্মু এবং ভারতবর্ষের অন্য যে কোনও রাজ্য টার্গেট হতে পারে জইশের৷ সূত্রের খবর জেইম জঙ্গীদের একটি ২১জনের দল গতবছর ডিসেম্বরে কাশ্মীরে প্রবেশ করেছে৷ এই দলে তিন জন সুইসাইড বোমার রয়েছে বলেও খবর৷ ভারতে মোট তিনটি বিস্ফোরণ এবং জঙ্গি হামলা করা প্ল্যান রয়েছে জইশ-ই-মহম্মদের এই দলটির৷ যার মধ্যে দুটি হামলা কাশ্মীর ভ্যালির বাইরে করার প্ল্যান৷

অধিকৃত কাশ্মীর ও পাক পাঞ্জাব প্রদেশের মূল ঘাঁটি থেকেই পরিচালিত হয় জইশ ই মহম্মদ৷ বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা এমনও দাবি করে, জঙ্গি সংগঠনটির সুপ্রিম কমান্ডার মাসুদ আজহারকে প্রোটেশকন দেয় খোদ পাক সেনা৷ তাকে বহাল তবিয়তে রাখা হয় রাওয়ালপিন্ডিতে৷ এমনই জঙ্গি নেতার নির্দেশে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সেনাবাহিনীর কনভয়ে ভয়াবহ হামলা হয়েছে৷

শুধু পাকিস্তান সীমান্তবর্তী জম্মু-কাশ্মীর বা পাঞ্জাব রাজ্যটি নয় জইশ ই মহম্মদ গত কয়েক বছরে রীতিমতো সক্রিয় বাংলাদেশে৷ আর পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন প্রতিবেশী এই রাষ্ট্রের অন্যতম সৈকত শহর কক্সবাজার হল জইশ জঙ্গিদের ঘাঁটি৷ বঙ্গোপসাগরের তীরে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন কক্সবাজার আবার মায়ানমার লাগোয়া৷

সেই দেশটির রাখাইন প্রদেশ (পুরনো আরাকান) জুড়ে আইএসআই যে নাশকতার জাল বিছিয়েছে তাকেই বাস্তবে রূপ দিতে চায় জইশ জঙ্গিরা৷ বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে এই বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য এসেছে৷ কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে জইশ জঙ্গিদের কর্ম তৎপরতা নিয়ে এই রিপোর্টে সতর্কতা দেওয়া হয়েছে৷ এর আগেও একবার গোয়েন্দা রিপোর্টে এসেছিল জইশের টার্গেটে রয়েছে কলকাতা মহানগরী ও হাওড়া স্টেশন৷