স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নন্দীগ্রামে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তিনদিনের জঙ্গসমহল সফরে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সম্ভবত ১২ মার্চ তিনি জঙ্গলমহলে যেতে পারেন বলে খবর৷ সেখানে পদযাত্রা ও সভা করার কথা রয়েছে তাঁর৷ তবে এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো কর্মসূচী তৈরি হয়নি বলে খবর৷

কিছুদিন আগে লালগড়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডার সভায় আশানুরূপ লোক হয়নি। এরমধ্যে ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ তৃণমূলের এই নতুন স্লোগান গেরুয়া শিবিরকে আরও অস্বস্তিতে ফেলছে। এমন স্লোগানের পাল্টা স্লোগান প্রয়োজন বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, জঙ্গলমহলের জন্য বিজেপির স্থানীয়স্তরে স্লোগান তৈরি হয়ে গিয়েছে। ঠিক হয়েছে, ‘জঙ্গলমহল কাটমানির হিসেব চায়’—এই স্লোগান সামনে রাখা হবে। তবে তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কোনও কৌশলই জঙ্গলমহলের মাটিতে খাটবে না৷

তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সাঁওতাল সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা ঝাড়গ্রামের বরবাহা হাঁসদা। ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে বিরবাহাকে প্রার্থীও করেছে তৃণমূল৷ প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনে ঝাড়খন্ড পার্টি (নরেন)-এর হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বীরবাহা। তাঁর বাবা, বিনপুরের প্রয়াত বিধাক নরেন হাঁসদা তৈরি করেছিলেন ওই দল। নরেনের স্ত্রী চুনিবালা হাঁসদাও বিনপুরের প্রাক্তন বিধায়ক হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। নরেনের প্রয়াণের পরে ঝাড়খণ্ড পার্টি (নরেন) পরিচালনার দায়িত্ব নেন চুনিবালা।

নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন মমতা ‌বন্দ্যোপাধ্যায়।  সেই সূত্রে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের জন্যে মনোনয়ন পেশ করতে চলেছেন তিনি। তৃণমুল সূত্রে খবর, হলদিয়া প্রশাসনিক ভবনে মনোনয়ন পেশ করবেন মমতা। ১১ তারিখ, শিবরাত্রির মমতা মনোনয়ন পেশ করবেন এটা এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই নন্দীগ্রামে শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়েই চলছে দেওয়াল লিখন। তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা শুরু করে দিয়েছেন ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার। চলছে সভা, মিছিল। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে ভোট গ্রহণ হবে।

এদিকে, আজ, রবিবার কলকাতায় যখন ব্রিগেডে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ঠিক সেই সময় শিলিগুড়িতে মহিলাদের সঙ্গে হাঁটবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। পেট্রোপণ্য ও রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে পদযাত্রা করছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।