চিক্কামাগালুরু: ভারতের মহিলা জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য বেদা কৃষ্ণমূর্তির পরিবার এক অত্যন্ত কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। গত দু’সপ্তাহ আগেই বেদার মায়ের মৃত্যু হয় কোভিডের কারণে। আর গতকাল রাতে চিক্কামাগালুরুর এক প্রাইভেট হাসপাতালে বেদার দিদি বৎসলা শিবকুমারেরও কোভিড সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণেই মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫। বেদার প্রাক্তন কোচ ইরফান সেইট সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি জানান।

বেদার দিদি আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। গতকালই তাঁর শারিরীক অবস্থার উন্নতি হওয়ার কারণে তাঁকে হাসপাতালের জেনারেল ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়। এবং তার কয়েক ঘন্টা পরেই তাঁর মৃত্যু হয়। বৎসলা তাঁর বাবা, পুত্র ও দুই বোনের সঙ্গে থাকতেন। তাঁর স্বামীর বেশ কয়েক বছর আগেই মৃত্যু হয়েছে।

বেদা গত মাসের ২৪ তারিখ নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁর করোনা নেগেটিভ হওয়ার সংবাদ ও নিজের মায়ের মৃত্যুসংবাদ জানিয়েছিলেন। এবং ফ্যানদের শোকজ্ঞাপনকারী বার্তার জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, “আমি আমার আম্মার মৃত্যুর পর যে যে বার্তা পেয়েছি সেগুলির মূল্য জানি। কিন্তু তোমরা বুঝতেই পারছ তাঁকে ছাড়া আমাদের পরিবার দিশেহারা। এখন আমরা এখন আমার বোনের জন্য প্রার্থনা করছি। আমি নিজে কোভিড নেগেটিভ হয়েছি। এবং আমি আশা করব তোমরা আমাদের পরিবারের গোপনীয়তাকে সন্মান করবে। আমি প্রার্থনা করব সবার জন্য যারা এই পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।”

ভারত বর্তমানে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ওয়েভের সম্নুখীন হয়েছে। যা দেখা যাচ্ছে তা থেকে একথা আন্দাজ করে নিতে কোনও সমস্যা হচ্ছে না যে, এই দ্বিতীয় ওয়েভ প্রথম ওয়েভের থেকেও অনেক বেশি শক্তিশালী। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৪ লক্ষের বেশি মানুষ এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি শুধুমাত্র সাধারণ ক্ষেত্রেই নয়, জৈব সুরক্ষা বলয় ভেদ করেও কিন্তু পৌঁছে গিয়েছে দ্বিতীয় ওয়েভের এই শক্তিশালী ধাক্কা, যার জন্য স্থগিত হয়ে গিয়েছে আইপিএলের চতুর্দশ সংস্করণ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.