কলকাতা: সরস্বতী পুজোর দিন টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের (Prosenjit Chatterjee) বাড়িতে হাজির রাজ্য বিজেপি (bjp)নেতা অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়(Dr. Anirban Ganguly)৷ তিনি প্রসেনজিৎকে উপহার দিলেন একটি বই৷ যা নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোড় জল্পনা৷

সূত্রের খবর,মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হঠাৎ প্রসেনজিৎ (Prosenjit Chatterjee) এর বাড়িতে হাজির হন রাজ্য বিজেপি নেতা তথা শ্যামাপ্রসাদ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সদস্য ড: অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়৷ দু’জনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়৷ এদিন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে তিনি নিজের লেখা বই ‘অমিত শাহ অ্যান্ড দ্য মার্চ অব BJP’ বইটি উপহার দেন তিনি।

মঙ্গলবার সকালে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty) বাড়িতেও গিয়েছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভগবত। অভিনেতার মুম্বইয়ের মাধ এলাকার বাংলোতে যান তিনি। বাংলার বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার ঠিক আগেই তাঁদের সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে। সামনেই বাংলার বিধানসভা নির্বাচন। দিন ঘোষণা না হলেও নির্বাচনের মুখে অনেকেই দল বদল করেছেন। বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন একাধিক তৃণমূল নেতা। এখনও বিজেপি দলে পরিচিত মুখ টানতে মরিয়া। মনে করা হচ্ছে সেই কারণেই মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভগবত। মিঠুন চক্রবর্তী সারা ভারতে জনপ্রিয় অভিনেতা। তার উপর তিনি বাঙালি। তাই বাংলার নির্বাচনে তাঁকে দলে টানতে সচেষ্ট গেরুয়া শিবির। যদিও এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনও খবর এখনও জানা যায়নি।

অন্যদিকে মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর ও মোহন ভগবতের মিটিং নিয়ে বলেছেন, “মোহন ভগবতের সঙ্গে আমার আধ্যাত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। আমি তাঁর সঙ্গে লখনউয়ে দেখা করেছি। তারপর আমিই বলেছিলাম তিনি যখন মুম্বইয়ে আসবেন তখন যেন আমার বাড়িতে আসেন।” কার্যত নির্বাচন ও নির্বাচন সংক্রান্ত বৈঠক নিয়ে কোনও কথাই এদিন বলেননি অভিনেতা। উলটে তিনি ফের রাজনীতিতে প্রবেশ করার কথাও উড়িয়ে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, তিনি বিজেপির হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ করতে তিনি চান না। অভিনেতা বলেছেন, “কিছু ধরে নেবেন না। এখনও পর্যন্ত কিছুই হয়নি।”

প্রসঙ্গত, মিঠুন চক্রবর্তী দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন তিনি। কিন্তু ২০১৬ সালে তিনি ইস্তফা দেন। তাঁর ইস্তফা দেওয়ার পিছনে শারীরিক অসুস্থতাই একমাত্র কারণ ছিল বলে জানিয়েছিলেন অভিনেতা। তবে চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে তৃণমূলের একাধিক নেতা-নেত্রীর সঙ্গে মিঠুনের নামও জড়িয়ে গিয়েছিল। ইডির তরফ থেকে সমনও পাঠানো হয়েছিল। এরপর থেকেই মূলত দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে মিঠুনের। তারপর মিঠুনের অসুস্থতার খবর সামনে আসে। রাজনৈতিক যোগ থেকেই তার পর থেকেই কার্যত অনেক দূরে সরে যান তিনি। তবে এবার গেরুয়া শিবিরে তাঁকে দেখা যাবে কিনা, তার জন্যই অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.