ওয়াশিংটন: ভারতের দেখানো পথেই হাঁটতে চলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এবার চিনা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ বাতিল করবে আমেরিকা। বাতিল হতে চলা সোশ্যাল মিডিয়া চিনা অ্যাপের মধ্যে রয়েছে টিকটকও। স্টেট সেক্রেটারি মাইক পম্পেও জানান ভাবনা চিন্তা চলছে। খুব দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ওয়াশিংটন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করছেন বলে জানানো হয়েছে। পম্পেও জানান, খুব দ্রুত অ্যাপ নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে, জিও, এয়ারটেল, হেথওয়ে সহ বেশ কয়েকটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার টিকটক ব্লক করে দিয়েছে। এর ফলে ওই সব সংস্থার গ্রাহকরা আর টিকটক ব্যবহার করতে পারবেন না।

এমনকী প্লে-স্টোরে খুঁজলেও তা মিলবে না। অর্থাৎ কোনও ভাবেই দেখাবে না। প্রসঙ্গত, এক রাতের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে টিক টক। চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই এমন ঘটনা চোখে পড়েছে।

কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয় এইসব অ্যাপের ডেটা গিয়ে জমা হত ভারতের বাইরে থাকা কোনও সার্ভারে। সেইসব সার্ভার চিনে রয়েছে বলেই জানা যায়। তাই এইসব অ্যাপ ভারতের নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছিল বলে অভিযোগ।

এর আগে, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমর্থন জানান মার্কিন নাগরিকরা।ইতিমধ্যে আমেরিকাতে দীর্ঘদিন ধরেই টিকটক সহ বেশ কিছু অ্যাপ ব্যান করার দাবি জানানো হয়েছে । আর মার্কিন বিশেষজ্ঞদের তরফে জানানো হয়েছিল নিরাপত্তা জনিত কারণেই তাদের দেশে ব্যান করার দাবি জানানো হয়েছে এই জাতীয় অ্যাপগুলির বিরুদ্ধে।

আর ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে কার্যত একাধিক মার্কিন নাগরিক সমর্থন জানান এই সিদ্ধান্তের। দেশের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। রিপাবলিকান সেনেটার জন ক্রনিন টুইটারে ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমর্থন জানিয়েছেন। পাশপাশি সমর্থন জানিয়েছেন রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান রিক ক্রাউফরদ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রবার্ট ও ব্রায়েন জানিয়েছিলেন চিনা সরকার এই সকল চিনা অ্যাপ নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। তবে একাধিক মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে মার্কিন প্রশাসনের দিকে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ