স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: সদ্য শেষ হয়েছে দুর্গাপুজো, লক্ষ্মী পুজো। সামনে বাঙালির কালী পুজো থাকলেও ধীরে ধীরে উৎসবের মেজাজের পারদ নামতে শুরু করেছে। ফলে দুর্গা পুজোর সময় মাস তিনেক ধরে মৃৎশিল্পীদের মধ্যে যে ব্যস্ততা উন্মাদনা থাকে তা ক্রমশ ফিকে হয়ে এসেছে। কারন বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের সপ্তাখানেক আগে সমাপ্তি ঘটেছে।

এখন বাকি শুধু কালী প্রতিমা তৈরি করা। ফলে মৃৎশিল্পীদের মধ্যে এই নিয়ে সাময়িক ব্যস্ততা থাকলেও তা অনেক কম। কারন জলপাইগুড়ি জেলা জুড়ে প্রচুর বিগ বাজেটের দুর্গা পুজো হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই কালী পুজোর সময় পুজো কমিটি গুলিকে খরচায় কিছুটা হ্রাস টানতে হয়। ফলে দুর্গা পুজোর মত খুব বেশি উন্মাদনা থাকেনা কালীপুজোকে ঘিরে এই জেলায়। এদিকে পুজোর পরে জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন শিল্পী পাড়ায় ঢুঁ মারলে দেখা যাবে বেশিরভাগ মৃৎশিল্পীর মুখ। কারন হিসাবে এই মৃৎশিল্পীদের একটু জিজ্ঞাসাবাদ করলেই ঝুলি থেকে আসল গল্প বেরিয়ে পড়বে।

দুর্গাপুজো শেষ হয়েছে। শেষ হয়েছে লক্ষ্মী পুজোও। সামনে কালীপুজো। প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যে আছেন জলপাইগুড়ির এইসব মৃৎশিল্পীরা। কিন্তু সমস্যা সমাধান এখনও হয়নি তাদের। কারন, দুর্গাপুজো শেষ হয়ে গেলেও সম্পূর্ণ পারিশ্রমিক পাননি তারা। বেশ কিছু ক্লাব টাকা বাকি রেখেছে বলে জানিয়েছেন জেলার মৃৎশিল্পীরা।

এদিকে পুজো মিটে গেলেও সময়মত পারিশ্রমিক না পাওয়ায় অর্থনৈতিক দিকথেকে ভীষণক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানান জলপাইগুড়ি জেলার উত্তম পাল নামের এক মৃৎশিল্পী। অবশ্য তিনি আশা প্রকাশ করেছেন বাকি টাকা নিশ্চয়ই অল্প সময়ের মধ্যে তারা হাতে পেয়ে যাবেন। কিন্তু বৃষ্টির কারণে যে বিস্তর সমস্যা হয়েছিল দুর্গাপ্রতিমা বানাতে সে কথা তুলে ধরতে ভুললেন না শিল্পী উত্তম পাল।

একই সুর অন্য শিল্পী জীবন পালের মুখেও। একটা সমস্যার কথা তারা একযোগে বললেন যে, এখনও কুমোরটুলির করা হয়নি তাদের জন্য। যদি কুমোরটুলির ব্যবস্থা করা হয় তাহলে অন্তত জায়গার সমস্যাটা মিটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তারা। পাশাপাশি জীবন পাল বলেন যেহেতু রাস্তার উপরেই কাজ করতে হচ্ছে জায়গার অভাবে তাই অনেকের দাবি যে রাস্তা থেকে সরিয়ে অন্য কোথাও যেন কাজ করা হয়।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV