ফাইল ছবি

মুম্বই: একেবারে ভোটের মরসুমে চাকরি খোয়ানো নিয়ে এক সমীক্ষার ফল জানা গেল৷ যা অবশ্যই মোদী সরকারকে অস্বস্তি ফেলার পক্ষে যথেষ্ট। কারণ ওই সমীক্ষা অনুসারে, নোটবন্দির পরে দু’বছরে প্রায় ৫০ লক্ষ লোক চাকরি হারিয়েছেন। মহিলাদের ধরলে সংখ্যাটা আরও কিছুটা বেড়ে যাবে।

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুর আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘দ্য সেন্টার ফর সাস্টেইনেবল এমপ্লয়মেন্ট’ এই সমীক্ষা রিপোর্ট বের করেছে। ‘স্টেট অব ওয়ার্কিং ইন্ডিয়া-২০১৯’ নামে ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে চাকরি খোয়ানোর প্রবণতা বেড়েছে ২০১৬ সালের নভেম্বরের পর৷ সমীক্ষাটি করেছেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন অধ্যাপক- আনন্দ শ্রীবাস্তব, রোসা আব্রাহাম এবং অমিত ভোঁসলে। যদিও পাশাপাশি বলা হয়েছে নোটবন্দি এবং চাকরি খোয়ানোর মধ্যে কোনও সংযোগ স্থাপন করা যায়নি৷

এমনিতেই কিছুদিন আগে মোদী সরকার বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছিল যখন জানাজনি হয়েছিল – ৪৫ বছরে দেশে কর্মসংস্থানের হাল সবচেয়ে খারাপ। ফলে যখন বিরোধীদের বেকারত্বের তির সামলাতে হচ্ছে শাসক দলকে। সেখানে আবার চাকরি খোয়ানো তথ্য মোদী সরকারের অস্বস্তি আরও বাড়াবে তা বলাই বাহুল্য৷

এদিকে এই সমীক্ষায় চাকরি খোয়ানোর হারের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের হারের তুলনামূলক এক আলোচনা রয়েছে। যাতে উঠে এসেছে, ২০১১ সাল থেকেই কর্মসংস্থানের হার কমছে৷ এই সমীক্ষায় উঠে এসেছে, ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত এক দশকে বেকারত্বের হার ছিল ২ শতাংশের উপরে। যেটা ২০১১ সালে বেড়ে হয়েছে ৩ শতাংশের বেশি। ২০১৫ সাল পর্যন্ত তা ৫ শতাংশের উপরে ছিল। এরপর ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বরের পর অর্থাৎ নোটবন্দির পর এই হার ৬ শতাংশেরও উপরে উঠে যায়৷