দেহরাদুন: প্রায় এক মাস আগে টেলি অভিনেত্রী মোহেনা কুমারি জানিয়েছিলেন তিনি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ইনস্টাগ্রাম পোস্ট করে জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

‘ইয়ে রিস্তা কেয়া কেহলাতা হে’ ধারাবাহিকের অভিনেত্রীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তাঁর অনুরাগীরা। একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন মোহেনা। অবশেষে তাঁর পরিবারে স্বস্তির খবর। মোহেনা ও তাঁর পরিবারের সকলের রিপোর্টই অবশেষে নেগেটিভ এসেছে।

মোহেনা অনবরত তাঁর এবং পরিবারের সকলের শারীরিক অবস্থার আপডেট দিয়ে গিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। অবশেষে খুশির খবর শোনালেন তিনি। দুজন চিকিৎসকের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। মোহেনা লিখেছেন, “একমাস পরে আমাদের রিপোর্ট নেগেটিভ এল।”

অভিনেত্রী আরও লিখছেন, “এইমস ঋষিকেশ এর সমস্ত চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। করোনা ভাইরাস এর বিরুদ্ধে লড়তে যা তথ্য আছে তার সমস্ত টুকু কাজে লাগিয়ে তাঁরা চিকিৎসা করেছেন। আজ আমরা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী দের কাজের উদযাপন করি। আমি জীবনে কিছু অসাধারণ চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মী কম্পাউন্ডারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। মানুষের যন্ত্রণা কমিয়ে তাদের সাহায্য করার জন্য তাদের সকলকে আমি আজ অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আমি আশা করব প্রত্যেক চিকিৎসকরাই বয়স ধর্ম এবং সমস্ত কিছু নির্বিশেষে মানুষের সেবা করুক। মানুষ চিকিৎসকদের ওপর অগাধ বিশ্বাস রাখে এবং আমরা সব সময় আশা করি তারা মানবিকতার সঙ্গে আমাদের চিকিৎসা করবেন। স্বার্থহীন, কর্মঠ এবং সমস্ত চিকিৎসকদের জানাই শুভ জাতীয় চিকিৎসক দিবস। আপনাদের পরিষেবার জন্য ধন্যবাদ জানাই।”

প্রসঙ্গত, মোহেনার স্বামী সুয়েশ রাওয়াত উত্তরাখণ্ডের পর্যটন মন্ত্রীক ছেলে। তাঁরাও করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত অক্টোবরেই বিয়ে করেছেন মোহেনার।

পরিবারের মোট ৭ জন এখন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁরা প্রত্যেকেই হাসপাতালে ভর্তি হন। এছাড়াও বাড়ির হাউজ স্টাফরা ও করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরিবারের মধ্যে শাশুড়ি অমৃতা রাওয়াতের শরীরে প্রথম কোভিড ১৯ ধরা পড়ে। আর তারপরেই পরিবারের সকলের দেহে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। ঋষিকেশের অ্যাপোলো হাসপাতালে তিনি ভর্তি ছিলেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ