স্টাফ রিপোর্টার, দার্জিলিং: সকালের পর ফের নতুন করে মোর্চা নেতা বিমল গুরুংয়ের বাড়িতে তল্লাসি শুরু করল পুলিশ৷ বিপুল অস্ত্র সহ দু’টি ওয়ারল্যাস বেতার উদ্ধারের পরেই নতুন করে সন্দেহের দানা বাঁধে পুলিশের মনে৷প্রাথমিকভাবে রাজ্য গোয়েন্দারা মনে করছেন মোর্চাদের আন্দোলনের পিছনে বিদেশী কোনও শক্তির হাত থাকতে পারে৷ এদিকে মোর্চার এক পুরপিতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷বাসে আগুন লাগানো ও বাসের কন্ডাক্টরকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে৷

আরও পড়ুন: মোর্চা প্রধান বিমল গুরুংয়ের বাড়িতে পুলিশি হানা, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

বৃহস্পতিবার সকালে মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুংয়ের বাড়িতে তল্লাসি চালিয়ে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ৷একই সঙ্গে উদ্ধার হয় দুটি ওয়ারল্যাস রেডিও৷ অত্যাধুনিক এই রেডিও দিয়ে খুব সহজেই দেশের বাইরে অন্যকোনও শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়৷এখানেই রাজ্য গোয়েন্দারা সন্দেহ প্রকাশ করেছে বলে সূত্রের খবর৷মনে করা হচ্ছে বাইরের কোনও বিদেশী কোনও শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারে মোর্চা নেতৃত্ব৷ সেইকারণে বিকেলের পর ফের নতুন করে বিমল গুরুংয়ের পাতলেবাসের বাড়িতে নতুন করে তল্লাসি শুরু করা হয়৷ যদিও এই বিষয়ে পুলিশের তরফে সরকারিভাবে এখনও কিছু বলা হয়নি৷

এদিকে ফের এক মোর্চা নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ শিলিগুড়ি থেকে বিজনবাড়ি যাওয়ার পথে এক সরকারি বাসে আগুন লাগানোয় উস্কানি দেন তিনি৷ বরুণ ভুজেলা নামে এই মোর্চা নেতা দার্জিলিং পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর৷

আরও পড়ুন: গুরুংয়ের বাড়িতে অস্ত্র মিলতেই মোর্চা তান্ডবে অগ্নিগর্ভ দার্জিলিং

এদিকে পাহাড়ের পরস্থিতি কড়া হাতে মোকাবিলা করতে কোনও কসুর করছেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ইতিমধ্যে পাহাড়ে আরও ছয় থেকে আট কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে ইতিমধ্যে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছে রাজ্য৷ যদিও আগে থেকেই পাহাড়ে ৬ কোম্পানির আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন রয়েছে৷ তা সত্ত্বেও এদিন দফায় দফায় যেভাবে পাহাড়ে উত্তেজনা ছড়াল তা নতুন করে প্রশাসনের চিন্তা বাড়িয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে৷অপরদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে পাহাড় নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে মোর্চারা আদৌ তাদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে পারবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।