কলকাতা২৪x৭: ২১ মে, ২০০৮ শেষবার ইউরোপ সেরার টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলেছিল দুই ইংলিশ ক্লাব ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ও চেলসি। ১১ বছর পর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফের অল-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ। ১ জুন মাদ্রিদের মেট্রোপলিটন স্টেডিয়ামে দ্য রেডস’র মুখোমুখি স্পারস। ষষ্ঠবার যখন ইউরোপের সেরা ক্লাবের তকমা ছিনিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে লিভারপুল। তখন প্রথম সুযোগেই বাজিমাত করে যেতে প্রস্তুত স্পারস।

কিন্তু তার আগে ২০০৮ মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে শেষবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের অল-ইংল্যান্ড ফাইনালের দিকে একবার চোখ বোলানো যাক। চোখ বোলালে দেখা যাবে ওই মরশুমেই শেষবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলেছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড এবং স্যার আলেক্স ফার্গুসনের কোচিংয়ে তৃতীয়বারের জন্য তাদের ক্যাবিনেটে ঢুকেছিল ইউরোপ সেরার খেতাব।

আরও পড়ুন: লুকাসের হ্যাটট্রিকে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে টটেনহ্যাম

রেড ডেভিলসদের জার্সিতে দ্বিতীয় শেষ মরশুমে দলকে ইউরোপ সেরা করার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ফাইনালে নির্ধারিত সময় ১-১ অমিমাংসিত থাকায় টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হয় ম্যাচের। ৬-৫ ব্যবধানে ব্লুজ’দের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় রেড ডেভিলসরা। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা এমনকি ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে ম্যান ইউয়ের একমাত্র গোলদাতা সিআরসেভেন কিন্তু পেনাল্টি শুট আউটে ভুল করে বসেছিলেন।

আরও পড়ুন: ফাইনালে ওঠার পর ছেলেদের ‘সুপারহিরো’ বলছেন পোচেত্তিনো

যদিও কিংবদন্তি ভ্যান ডার সারের বিশ্বস্ত দস্তানায় তৃতীয়বারের জন্য ট্রফি নিশ্চিত হয়েছিল ম্যাঞ্চেস্টারের। জন টেরির শট পোস্টে প্রতিহত হওয়ার পর নিকোলাস আনেলকার নেওয়া সপ্তম স্পটকিকটি বাঁচিয়ে নায়ক হয়ে উঠেছিলেন ডাচ গোলরক্ষক। নির্ধারিত সময়ে রোনাল্ডোর পালটা গোল করে চেলসিকে সমতায় ফিরিয়ে এনেছিলেন ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড।

আরও পড়ুন: ২০২০ অলিম্পিকের টিকিট বিক্রি শুরু

এরপর ২০১১-১২ মরশুমে চেলসি কিংবা গত মরশুমে লিভারপুল রানার্স হলেও অল-ইংল্যান্ড ফাইনাল দেখার সুযোগ পায়নি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। স্বাভাবিকভাবেই প্রায় এক যুগ বাদে আরও এক রোমহর্ষক ফাইনালের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন ইংল্যান্ডের ফুটবল অনুরাগীরা। পরপর দু’দিন দুই উত্তেজক সেমিফাইনালে লিভারপুল ও টটেনহ্যামের অবিস্মরণীয় কামব্যাক যেন প্রত্যাশার পারদ আরও ঊর্দ্ধমুখী করে তুলেছে ফুটবল অনুরাগীদের। এখন প্রতীক্ষা ১ জুনের। জুর্গেন ক্লপ বনাম মৌরিসিও পোচেত্তিনোর ফুটবল মস্তিষ্কের লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসেন, এখন সেটাই দেখার।