নয়াদিল্লি: কাশ্মীর থেকে আর্মড ফোর্স স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট ১৯৫৮ (আফস্পা) প্রত্যাহারের বিষয়টি নির্ভর করছে সেনাবাহিনীর উপর৷এই বিষয়ে রাজনেতারা নন, সিদ্ধান্ত নেবে সামরিক কর্তৃপক্ষ৷সোমবার জম্মুতে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের একটি অনুষ্ঠানে এসে এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী দফতরের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং৷ তিনি বলেন, ‘আফস্পা প্রত্যাহার করা উচিত কিনা, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে সেনাবাহিনীর হাতে৷’ এদিকে উপত্যকা থেকে আফস্পা প্রত্যাহারের দাবিতে সরব হয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস প্রধান সইফুদ্দিন সোজ ও অন্যরা৷এদিন কংগ্রেসের দাবি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সিং বলেন, এই বিষয়ে মন্তব্য করা আমাদের কাজ নয়৷ কারণ এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নিরাপত্তার বিষয়৷ আফস্পা প্রত্যাহারের বিষয়টি কোনও রাজনেতা বা রাজনৈতিক দলের হাতে নেই৷প্রসঙ্গত, দু’দিন আগেই আফস্পা নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরম৷ এই আইনকে ‘আপত্তিকর’ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি৷ এর পরই আফস্পার বিরুদ্ধে সরব হন সোজ৷

উল্লেখ্য, জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী উপদ্রব লেগে থাকায় বরাবরই এই আইন তুলে নেওয়ার বিরোধী সেনাবাহিনী৷কারণ, তাদেরই এই তৎপরতা বন্ধে সব থেকে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়৷আফস্পা-বিরোধীদের বক্তব্য, এই আইনবলে সেনাবাহিনী সন্দেহভাজন বলে যে কাউকে তুলে নিয়ে যেতে পারে এবং তারা তার সুযোগও নেয়৷তবে এর বিকল্প কী হতে পারে, সে কথা কখনওই এই আফস্পা-বিরোধীদের মুখে শোনা যায়নি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।