কাবুল: আফগানিস্তানের ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলা। যার জেরে মৃত্যু হল কমপক্ষে ৩০ জনের। আহত আরও ২৪ জন। জানা গিয়েছে রবিবার আফগানিস্তানের গজনি’র একটির সামরিক শিবিরে আত্মঘাতী গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। নিহতেরা পুলিশের সদস্য বলে জানা গিয়েছে।

একটি সংবাদ সংস্থার রিপোর্টে জানা গিয়েছে, স্থানীয় শীর্ষ আধিকারিকেরা এই হামলায় হতাহত ও আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানানো হয়েছে নিহত ৩০ জন। এছাড়া আহত ২১ জনকে কাছের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আশঙ্কা প্রকাশ করে আধিকারিক জানিয়েছে, আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন – রাশিয়ার উপগ্রহের খুব কাছে, অল্পের জন্য দুর্ঘটনা এড়াল ইসরোর কার্টোস্যাট

এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানিয়েছেন, এই হামলা একটি আত্মঘাতী বোমা হামলা ছিল । গজনি শহরের কাছে একটি সেনা শিবিরে বিস্ফোরকবাহিত গাড়ি ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছিল।

ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, হামলায় নিহত ও আহত হওয়া সেনারা আফগান ন্যাশনাল আর্মি’র (এএনএ) একটি ব্যাটালিয়নের সদস্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অপর এক আধিকারিক জানিয়েছে, সকাল ৭ টা ৩৭ নাগাদ এই হামলা চালানো হয়।

যদিও এখনও কোনও গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ হামলার জন্য তালিবান জঙ্গিদের দায়ী করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।