চট্টগ্রাম: বিশ্বকাপের ভরাডুবি থেকে মাথা তুলে আবার বিশ্বক্রিকেটের মূল স্রোতে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিল আফগানিস্তান। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে মাঝেমধ্যেই চমক দেওয়া অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে আফগানরা। এবার টেস্টে অঘটন ঘটানোর সংকেত দিল রশিদ খানের নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। সিরিজের একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশকে তাদের ঘরের মাঠে কোণঠাসা করল আফগানিস্তান।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল ৫ উইকেটে ২৭১রান তুলে। দ্বিতীয় দিনে তার পর থেকে খেলতে নেমে আফগানরা তাদের প্রথম ইনিংস শেষ করে ৩৪২ রানে। প্রথম আফগান ব্যাটসম্যান হিসাবে রহমত শাহ আগের দিনই টেস্ট সেঞ্চুরি করেছিলেন। দ্বিতীয় দিনে অল্পের জন্য শতরান হাতছাড়া করলেন আসগর আফগান। শেষ দিকে ব্যাট চালিয়ে হাফ-সেঞ্চুরি করেন রশিদ খান। রান পেয়েছেন উইকেটকিপার আফসর জাজাইও।

রহমত ১০২ রান করে আউট হয়েছেন। আসগর খেলেন ৯২ রানের অনবদ্য ইনিংস। রশিদ মাত্র ৬১ বলে ৫১ রান করে আউট হন। আফসর জাজাই ৪১ রানের যোগদান রাখেন দলের ইনিংসে। খাতা খুলতে পারেননি মহম্মদ নবি।

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৮ জন বোলারকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করে। তাইজুল ইসলাম ১১৬ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট নেন। শাকিব আল হাসান নিয়েছেন ৬৪ রানে ২টি উইকেট। নঈম হাসান ৪৩ রান খরচ করে ২টি উইকেট তুলেছেন। এছাড়া ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও মাহমুদুল্লাহ।

পালটা ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিনের শেষে তাদের প্রথম ইনিংসে ১৯৪ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারিয়ে বসেছে। মমিনুল হক দলের হয়ে সর্বাধিক ৫২ রান করে আউট হয়েছেন। ৪৪ রান করে অপরাজিত রয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন। আউট হওয়ার আগে লিটন দাস করেছেন ৩৩ রান।

বলার মতো রান পাননি দলনায়ক শাকিব। তিনি ১১ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এছাড়া সৌম্য সরকার ১৭, মাহমুদুল্লাহ ৭ ও মেহেদি হাসান ১১ রান করে ক্রিজ ছাড়েন। খাতা খুলতে পারেননি উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিম। ১৪ রান করে ব্যাট করছেন তাইজুল ইসলাম। প্রথম ইনিংসের নিরিখে আফগানিস্তানের থেকে এখনও ১৪৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

ব্যাট হাতে আগ্রাসী হাফ-সেঞ্চুরি করা ছাড়াও আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে সর্বাধিক ৪টি উইকেট নিয়েছেন রশিদ খান। ২টি উইকেট মহম্মদ নবির। ১টি করে উইকেট ইয়ামিন আহমেদজাই ও কাইস আহমেদের।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।