স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: পুজোর সময় বিজ্ঞাপনের গেট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল বহরমপুর পুরসভা৷ তারই প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হল বহরমপুরের কাশিমবাজার এলাকার দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা৷

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন৷ আর শ্রেষ্ঠ উৎসব তো দুর্গাপুজো৷ মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুর৷ এই শহরের একটি বড় সমস্যা হল নিত্য যানজট। এই যানজট থেকে মুক্তি পেতে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বহরমপুর পুরসভা৷

আরও পড়ুন: সাত দফা দাবি নিয়ে স্মারকলিপি জমা দিলেন স্বাস্থ্যকর্মীরা

সম্প্রতি তেমনই নতুন এক পদক্ষেপ বিজ্ঞাপনের গেট বন্ধ৷ সমস্ত দুর্গা পুজো কমিটির রাস্তার উপর বিজ্ঞাপনের গেট বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুরসভার কাশিমবাজার এলাকায় এই হোডিং ভাঙার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

পুজোর সময় এই বিজ্ঞাপনের গেটগুলি বন্ধ হয়ে গেলে পুজোতে চরম আর্থিক সমস্যায় পরবেন পুজো কমিটির সদস্যদের। তাই কাশিমবাজার এলাকার পুজো কমিটির সদস্যরা পুরসভার এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আন্দোলন করল৷ সমস্ত পুজো কমিটির সদস্যরা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হল।

আরও পড়ুন: ১৮.৫ লক্ষ টন মৎস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের পথে রাজ্য

বিক্ষোভকারীদের দাবি, বহরমপুর শহরের প্রায় কেন্দ্রে বাড়ি পুরপিতার৷ তাঁর এলাকায় এত যানজট হওয়া সত্ত্বেও কেন কাশিমবাজারের মতো সাধারণ জায়গায় এই সিদ্ধান্ত আগে কার্যকর করা হল। এই সব বিজ্ঞাপনের গেটের মাধ্যমে পুজো কমিটিগুলিতে বিপুল পরিমাণ আয় হয়৷ পুজোর এখন প্রায় দোড়গোড়ায়৷

আর এখনই এই বিজ্ঞাপনের গেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছেন পুজো কমিটির সদস্যরা। পুজোর বাজেটের হেরফের হতে পারে বলে জানান তাঁরা৷

আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনেও সংঘর্ষ অব্যাহত

যদিও এই ঘটনায় পুজো কমিটিগুলির তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে পুরপিতা নীল রতন আঢ্য৷ তাঁর দাবি বহরমপুর পুরসভাকে যানজট মুক্ত করতে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে এই বিজ্ঞাপনের গেট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এই বিজ্ঞাপনের গেট বন্ধ করে তার পরিবর্তে এলসেফ ফেস্টুন ও ব্যানার রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে৷

আরও পড়ুন: অধীরের গড়ে রাহুলের দলকে টেক্কা দিল বিজেপি