লন্ডন: রাজ পরিবারে গণ্ডীতে থাকতে চান না বলে আগেই জানিয়েছেন তাঁরা। ব্রিটিশ রাক পরিবারের ছোট ছেলে প্রিন্স ও তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কলে সপ্তাহ খানেক ধরে তাই সংবাদ শিরোনামে। তাঁরা জানিয়েছেন যে তাঁরা রাজ পরিবারের বাইরে গিয়ে নিজেরা কাজ করবেন। এরপরই মার্কিন অভিনেত্রী মেগানের কাছে এল এক অদ্ভুত প্রস্তাব।

প্রাপ্তবয়স্কদের ওয়েবসাইট ‘ইয়োর পর্ন’-এর তরফ থেকে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে মেগানকে। সংস্থার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ মনে করছে, পুরনো ধারনা ছেড়ে মেগানই এই সংস্থাকে নতুন কিছু করার রসদ যোগাতে পারেন।

ব্রিটিশ রাজপরিবার অত্যন্ত রক্ষণশীল হিসাবেই পরিচিত। সেই পরিবারের পুত্রবধূকে এমন একটি সাইট থেকে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া নিয়ে রীতিমত শোরগোল পড়ে গেছে। যদিও সাইটটি খোলাখুলিই মেগান মার্কল-কে এই প্রস্তাব দিয়েছে।

ওয়েবসাইটটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মেগানকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন তিনি চান মেগান রাজপরিবারের গণ্ডী পার করে তাঁদের সাইটের জন্য কাজ করুন। তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁদের সাইট কিছু জনহিতকর কাজের সঙ্গে যুক্ত। সংস্থার সেই দিকটি সামলানো ও তা আরও কীভাবে উন্নত করা যায় তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে কাজ করুন মেগান।

সংস্থার কর্ণধার চার্লি জানিয়েছেন, তাঁরা অনেক সংস্থাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেও তারা তাঁদের সংস্থার থেকে কোনও আর্থিক সাহায্য নিতে চায়না। এক্ষেত্রে পুরনো ভাবনা চিন্তা কাজ করে বলে মনে করছেন চার্লি।

চার্লি আরও জানিয়েছেন, মেগান যেসব ভাল কাজ করছেন তাতে তিনি এসব পুরনো ভাবনা ভেঙে তাঁদের সংস্থার জনহিতকর পদক্ষেপকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন বলেই তাঁর বিশ্বাস। যদিও রাজপরিবারের তরফে বা প্রিন্স হ্যারির স্ত্রীর তরফে এ নিয়ে কিছু এখনও জানানো হয়নি। প্রসঙ্গত মেগানের এখন একটি ৮ মাসের শিশু রয়েছে।

হ্যারির মা প্রিন্সেস ডায়ানার পথেই পা বাড়িয়েছেন তাঁরা। হ্যারি ও মেগান ব্রিটিশ সিংহাসনের ষষ্ঠ উত্তরাধিকারী। ইন্সটাগ্রাম হ্যান্ডেলে দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর পত্নী ডাচেস মেগান মার্কেল। এরপরই ‘মাদাম তুসো’তে থাকা ব্রিটিশ রাজ পরিবারের সেট থেকে হ্যারি ও মেগানের মূর্তি সরিয়ে নেওয়া হয়।

রাজপরিবারের বাঁধাধরা নিয়মে খাপ খাওয়াতে না পেরে সাধারণদের মতো স্বাধীন চলাফেরা করতেই এমন ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা। আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে চাইছেন বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। এক বিবৃতিতে বলেছেন, আগামী দিনগুলোতে তারা বছরের কিছুটা সময় ব্রিটেনে এবং বাকিটা উত্তর আমেরিকায় কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.