শ্রীনগর: জম্মু-কাশ্মীরের নাগরোটায় ভয়াবহ জঙ্গিহানা৷মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ এক সেনা ক্যাম্পে হামলা চালায় একদল আত্মঘাতী জঙ্গি৷সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে গুরুতর শহিদ হন সাত জওয়ান৷ তাঁদের মধ্যে দু’ন সেনা অফিসার। গ্রেনেড ছুঁড়ে গুলি চালিয়ে ক্যাম্পের ভিতরে ঢুকে পড়ে জঙ্গিরা।

এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে ক্যাম্পের দুটি বিল্ডিং-এ ঢুকে পড়ে তারা। সেখানে ছিলেন আর্মি অফিসার ও তাদের পরিবারও। সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ছুটে যায় সেনা। তাদের সাহায্যে ১২ জন জওয়ান সহ দুই মহিলা ও দুই শিশুকেও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নাগরোটার সমস্ত স্কুল৷ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে তিন জঙ্গির মৃতদেহ।

অন্যদিকে, এদিনই নিয়ন্ত্রণ রেখার ছামলিয়া, সাম্বা সেক্টরে  পাকসেনার সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে এসেছে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের৷সাম্বা সেক্টরেও জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা৷পাল্টা উত্তর দিয়েছে ভারতীয় সেনাও৷শেষ খবর পাওয়া গিয়েছে, ভারতীয় সেনার গুলিতে খতম হয়েছে তিন অনুপ্রবেশকারী জঙ্গি৷  বিএসএফে পক্ষ থেকে জানান হয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে৷

গতকালই জম্মু-কাশ্মীরের হান্দওয়ারা সেক্টরে জঙ্গি হামলা হয়েছিল। যদিও জঙ্গিদের রুখে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। সেনা সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে এক জঙ্গিকে খতম হয়েছে সেনা ছোঁড়া গুলিতে। অন্যদিকে, ঘটনার পরেই জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় বাড়ানো হয়েছিল নিরাপত্তায়। বিভিন্ন সেক্টরে টহল দিচ্ছিলেন সেনা জওয়ানেরা। একেবারে কড়া নিরাপত্তা মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা ভূস্বর্গকে।

গত ২২ নভেম্বর গভীর রাতে নিয়ন্ত্রণ রেখার মাচিল সেক্টরে তিন সেনা জওয়ানকে খুন করে পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিম। তাঁদের মধ্যে একজনের অঙ্গচ্ছেদ করা হয়। এর জবাবে ভারত তীব্র পাল্টা আক্রমণ চালায়। ভারতরে জবাবে মৃত্যু হয়েছে বেশ কয়েকজন পাক সেনার।