বাসুদেব ঘোষ, সিউড়ি: বাদনা পরবে মাতলো আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষেরা। বীরভূমের বিভিন্ন এলাকা আদিবাসী অধ্যুষিত৷ তারই মধ্যে মহম্মদবাজার ব্লক একটি অন্যতম আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা৷ এই ব্লকের পাঁচামী সহ বিভিন্ন আদিবাসী এলাকা এবং পাড়াতে চলছে বাদনা পরব।

আদিবাসীদের প্রধান পরব এই বাদনা। মহম্মদ বাজারের আঙারগড়িয়া, শালদহ ও রাজ‍্যধরপুরের আদিবাসী পাড়াতে পাড়াতে আদিবাসীরা সকাল থেকেই ধামসা মাদল নিয়ে মেতেছে এই পরবে। ফুল বাগিচার মাঝে ধামসা মাদল নিয়ে আদিবাসী নাচে মেতে উঠেছে আদিবাসী পুরুষ এবং মহিলারা। ধামসা মাদলের তালে তালে হাতে ময়ূরের পালক নিয়ে নাচতে থাকে আদিবাসী পুরুষরা। দলবদ্ধভাবে আদিবাসী মহিলারা মাথায় পিতলের কলসী নিয়ে আদিবাসী নাচে কোমর দোলায়। মাদল বাজিয়ে আদিবাসী দলের সঙ্গে বাদনা পরবের আনন্দে মেতে ওঠেন এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক স্বপন কান্তি ঘোষ।

এছাড়া আদিবাসী দলগুলিকে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক স্বপন কান্তি ঘোষ৷ মাদল বাজাতে দেখে খুশি আদিবাসীরাও। স্বপন বাবু বলেন, বাদনা পরবে যারা এসেছে তারা আমার পরিবারের মতো। তাদের পরব মানে আমার পরব। এই পাঁচদিনের উৎসব সুখে, শান্তিতে, আনন্দে কাটুক এই প্রার্থনা করি।

আদিবাসী দলের বুড়ো সরেন বলেন, আমাদের বাদনা পাঁচ দিন ধরে চলে। স্বপন বাবু আমাদের খুব উৎসাহ দেন। তিনি আমাদের পর্বের জন্য আর্থিক সাহায্য করেছেন তাই খুব আনন্দ করছি। পাঁচ দিন ধরে চলে আদিবাসী সম্প্রদায়ের এই উৎসব৷ নাচ, গান থেকে শুরু করে খাওয়া দাওয়া কিছুই বাদ নেই আমাদের এই পরবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।