মুম্বই: ক্রমশ জটিল হচ্ছে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্য়ুর তদন্ত। এফআইআর দায়ের হয়েছে তাঁর বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠছে এই এই ঘটনায় কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিরও যোগ রয়েছে। বার বার অভিযোগ উঠছে, মহারাষ্ট্র সরকার ও মুম্বই পুলিশ অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। অভিযোগের তির যাচ্ছে উদ্ভভ ঠাকরের ছেলে তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আদিত্য ঠাকরের দিকে। অবশেষে আদিত্য এই ঘটনায় মুখ খুললেন।

আদিত্য সমস্ত রকমের অভিযোগকে ‘নোংরা রাজনীতি’ বলে সম্বোধন করেছেন। সুশান্তের ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ রয়েছে এমন সমস্ত অভিযোগকে অর্থহীন বলে অস্বীকার করেছেন তিনি। বিরোধীদের দিকে কটাক্ষ করে তিনি ‘নোংরা রাজনীতি’ বলে সম্বোধন করছেন বিষয়টিকে। তাঁর দাবি, কোভিড ১৯-কে নিয়ন্ত্রণে আনতে মহারাষ্ট্র সরকারের সাফল্য অনেকে হজম করতে পারছে না বলে এই সমস্ত অভিযোগ করছে এবং সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে।

আদিত্য জানাচ্ছেন, সুশান্তের ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ নেই। তাই তাঁর এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও ‘ব্যক্তিগত আক্রমণকে’ নিন্দা করছেন বলে জানিয়েছেন। সুশান্তের মৃত্যুকে ‘দুঃখজনক’ বলে সম্বোধন করে আদিত্য বলছেন, “কারও মৃত্যুকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা খুবই অমানবিক।”

বলিউডের বহু অভিনেতাদের সঙ্গেই আদিত্যর যোগাযোগ ও পরিচিতি রয়েছে। সে ব্যাপারে তিনি বলছেন, “বলিউড মুম্বইয়ের একটা বড় অংশ। বহু মানুষ এই ইন্ডাস্ট্রির উপরে নির্ভরশীল। আর বলিউডের অভিনেতাদের সঙ্গে পরিচয় থাকা কোনও অপরাধ নয়।”

সমস্তটাই টুইট করে জানিয়েছেন তিনি। শেষে জানিয়েছেন, এই ঘটনায় তিনি নিজেকে জড়াবেন না এবং রাজ্য, রাজনৈতিক দল ও তাঁর পরিবারের সম্মান হানি হতে দেবেন না। তিনি লিখছেন, “বালসাহেব ঠাকরের উত্তরাধিকার হিসেবে আমি বলতে চাই যে আমি এই ঘটনায় জড়াব না এবং মহারাষ্ট্র, শিবসেনা ও ঠাকরে পরিবারের সম্মান হানি হতে দেব না।”

প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতা নারায়ণ রানে আজ মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেছেন, সুশান্তের প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ান আত্মঘাতী হননি। দিশাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে এদিন তিনি বলেন যে ১৩ জুন রাতে অর্থাৎ সুশান্তের মৃত্যুর আগের রাতে অভিনেতা দিনো মরিয়ার বাড়িতে একটি পার্টি ছিল। সেই পার্টিতে যারা উপস্থিত ছিলেন তারা দিনো মরিয়ার বাড়ি থেকে বেরিয়ে তারপরে সুশান্তের বাড়িতে যান। সেই পার্টিতে এক রাজনৈতিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেছেন নারায়ন রানে।

নারায়ন রানের ছেলে তথা নীতিশ রানেও বাবাকে সমর্থন করে বলেছেন, তাঁর বাবার কাছে নিশ্চয়ই যথেষ্ট বৈধ কোনো তথ্য রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে তিনি এই গুলি দাবি করেছেন। তিনি বলছেন, “বাবা মহারাষ্ট্রের একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। আমি জানি ওঁর কাছে যথাযোগ্য তথ্য রয়েছে বলেই এই দাবি তিনি করেছেন। আমরা এই ঘটনার রহস্য সামনে আনবো।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।