মুম্বই : অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে কঙ্গনাকে শারীরিক নিগ্রহ ও হেনস্থা করার অভিযোগ এনে ভারসোভা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন অভিনেত্রীর বোন রঙ্গোলি চান্দেল। সেই ঘটনা এবার আদালত পর্যন্ত গড়াল। কঙ্গনা ও রঙ্গোলি চান্দেলের বিরুদ্ধে আন্ধেরির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মানহানির মামলা দায়ের করলেন আদিত্য পাঞ্চোলি।

আদিত্য পাঞ্চোলি বলেছেন, “আমি কঙ্গনা ও রঙ্গোলির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক মানহানির মামলা দায়ের করেছি। পাশাপাশি, দেওয়ানি মানহানি মামলা দায়ের করার অপশানও খোলা রেখেছি।” অভিনেতার অভিযোগ, বহুদিন ধরেই কঙ্গনা তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন। এমনকি এই বিষয়টি নিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলেও কঙ্গনা কথা বলছেন যা ডাহা মিথ্যা। এই ঘটনায় কঙ্গনা তাঁর স্ত্রী সন্তানদের টেনে এনেও কথাও বলছে বলে ক্ষোভ আদিত্যর।

তাঁর কথায় , “কঙ্গনা যে অভিযোগ গুলো এনেছে এবার সেটা ও পারলে প্রমাণ করে দেখাক।” আদিত্য পাঞ্চোলির আরও অভিযোগ, ‘অভিনেত্রীর আইনজীবী তাঁকে হুমকি দিয়েছেন। কঙ্গনার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা তুলে না নিলে আদিত্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হবে এমন হুমকিও দেওয়া হয়েছে। আদিত্য পাঞ্চোলি বলেন , “আমি অভিনেত্রীর আইনজীবীর সঙ্গে ১৮ মিনিটের কথোপকথনের ভিডিও পুলিশের কাছে জমা দিয়েছি।”

সূত্রের খবর, কঙ্গনা ও রঙ্গোলিকে ক্ষমা চাইতে বলে আইনি চিঠি পাঠিয়েছিলেন আদিত্য পাঞ্চোলির স্ত্রী জারিন ওয়াহাবও। তবে সেই চিঠির কোনও ঠিকঠাক জবাব না পেয়েই তাঁরা এই মানহানির মামলা দায়ের করেন। প্রসঙ্গত, গত এক মাস ধরে এই কাণ্ড চলছে পাঞ্চোলি ও কঙ্গনার মধ্যে। নিগ্রহের ঘটনার বিষয়ে অভিনেতার স্ত্রী জারিনও ওয়াহাবও সব জানেন বলে দাবি করেন কঙ্গনার বোন। তাঁর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে ভারসোভা থানা। তবে যেহেতু ঘটনা ১৩ বছর আগেকার তাই এই ঘটনার তদন্তের সাপেক্ষে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ প্রয়োজন বলে জানায় ভারসোভা থানার পুলিশ।

প্রসঙ্গত, ২০১৭তে দেওয়া একধিক সাক্ষাৎকারে আদিত্য পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে যৌন ও শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ করেছিলেন কঙ্গনা। এমনকি আদিত্য তাঁক একটি ঘরে আটকে রেখেছিলেন বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। কঙ্গনার কথায়, সেসময় তিনি জানালা দিয়ে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে বেঁচেছিলেন।