মুম্বই- করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জেরে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়েছে অনেকেই। তাঁদের মধ্যে একজন হলেন গায়ক আদিত্য নারায়ন। সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে আদিত্য বলেছেন যে, লকডাউন চলাকালীন তাঁর সেভিংস এর অনেকটাই খরচ করে ফেলেছেন। তাই আর্থিক দিক থেকে কিছুটা সংকটে পড়েছেন গায়ক।

খুব শীঘ্রই বহুদিনের বান্ধবী শ্বেতা আগরওয়ালের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা গায়ক তথা সঞ্চালক আদিত্য নারায়ণের। কিন্তু এই মুহূর্তে তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রয়েছে মাত্র ১৮ হাজার টাকা। নিজেই জানিয়েছেন আদিত্য। প্রায় এক বছর তাঁর হাতে কোনো কাজ থাকবে না, এমনটাও কল্পনাও করেননি তিনি।

কিন্তু লকডাউন তাঁর ধারণা বদলে দিয়েছে। যার ফলে বদল হয়েছে তাঁর বিভিন্ন পরিকল্পনাও। আর্থিক অবস্থার আরও অবনতি হলে নিজের কিছু ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিক্রি করে দিতে পারেন বলেও জানিয়েছেন উদিত নারায়ণের ছেলে।

আদিত্য সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “দিনের শেষে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। যখন এই কঠিন সিদ্ধান্ত আপনি নেবেন, কিছু মানুষ বলবে সে সিদ্ধান্ত মোটেই ঠিক নয়।”লকডাউন চলার ফলে বহু মানুষের আর্থিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়েছে। আদিত্য জানিয়েছেন তিনিও এর জন্য ভুগছেন।

তিনি বলছেন, “এরপরে লকডাউনের সময়সীমা যদি আরো বাড়ানো হয় তাহলে মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যাবে। আমার সমস্ত সেভিংস খরচ হয়ে গিয়েছে। আক্ষরিক অর্থেই সমস্ত জমানো টাকা শেষ। মিউচুয়াল ফান্ডে যে টাকা বিনিয়োগ করেছিলাম, সেগুলিও তুলে ফেলতে হয়েছে।

কারণ আমরা কেউ ভাবিনি যে আমি একবছর কোনো কাজ না করেও স্বাভাবিকভাবে দিন কাটাবো। কোটিপতি ছাড়া কেউ এভাবে ভাবে না। তাই আর কোন উপায় নেই। আমার অ্যাকাউন্টে আর মাত্র ১৮ হাজার টাকা পড়ে রয়েছে।”

আদিত্য বলছেন, “অক্টোবরের মধ্যে আমি যদি কাজ শুরু না করি আমার কাছে আর কোনো টাকা থাকবে না। নিজের বাইক বা অন্যকিছু বিক্রি করে দিতে হবে। বিষয়টা সত্যি কঠিন।” আদিত্য নিজে গান গাওয়ার পাশাপাশি একটি গানের রিয়্যালিটি শোয়ের সঞ্চালনা করেন।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I