কলকাতা: আগামী বিধানসভা নির্বাচনে দলের নেতা-কর্মীদের কোমর বেঁধে লড়াইয়ের বার্তা নবনিযুক্ত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর। ‘‘তৃণমূল ও বিজেপিকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড় নয়’’, দলের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েই হুঙ্কার অধীরের।

দ্বিতীয়াবারের জন্য প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন অধীর। সেই বৈঠকেই রাজ্যে তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে একজোটে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন নেতা-কর্মীদের। একইসঙ্গে দল ছেড়ে যাওয়া নেতা-কর্মীদের ফিরে আসতে আহ্বান জানালেন।

পুরোন সৈনিক অধীর চৌধুরীর উপরেই ভরসা রেখেছেন সোনিয়া গান্ধী। বুধবারই দ্বিতীয়বারের জন্য অধীর চৌধুরীকে বাংলায় দলের হাল ধরার দায়িত্ব দিয়েছেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় দলের নেতৃত্বে কোনও আগ্রাসী নেতাকেই চাইছিল কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। সেই মতো অধীরকেই সর্বোত্তম যোগ্য বলে বিবেচনা করেছে শীর্ষ নেতৃত্ব।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে দলের নেতা-কর্মীদের আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কোমর বেঁধে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন অধীর চৌধুরী। এরই পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে মান-অভিমানে দল ছেড়ে অন্য দলে যাওয়া নেতা-কর্মীদেরও ফিরে আসতে বার্তা দিয়েছেন নয়া প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে অধীর চৌধুরী বলেন, ‘‘যাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল বা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তাঁরা ফিরে আসুন। দল তাঁদের যোগ্য সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করবে।’’

সোমেন মিত্রের আকষ্মিক প্রয়াণে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদটি ফাঁকা হয়। তারপর থেকেই নতুন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম নিয়ে বিস্তর জল্পনা চলছিল। তবে পাল্লা ভারী ছিল অধীরেরই। অধীর চৌধুরীকেই ফের বাংলায় দলের দায়িত্বে আনা নিয়ে সরব হন কংগ্রেসের একাধিক নেতা।

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা তথা রাজ্য কংগ্রেসের অন্যতম শীর্ষ নেতা আবদুল মান্নান নিজেও অধীরের হয়েই সওয়াল করেছিলেন হাইকম্যান্ডের কাছে। শেষমেশ ২০১৮ সালের পর ফের প্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্বে বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী।

এই মুহূর্তে লোকসভাতেও কংগ্রেসের দলনেতা অধীরবাবু। এবার দুই গুরুদায়িত্বই একসঙ্গে সামলাবেন সোনিয়া-রাহুলের আস্থাভাজন দাপুটে এই কংগ্রেস নেতা।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।