স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ঘটা করে জোট করেও উপনির্বাচনে একটা আসনও পায়নি কংগ্রেস-সিপিএম৷ কিন্তু এই ফলে এতটুকুও হতাশ নন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী৷ জোর গলায় এদিন তিনি বললেন, তিনটি আসনে হেরেও বলছি বাংলায় জোট-ই ভবিষ্যত৷

ফলাফল নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, “বিজেপির বাড়-বাড়ন্ত তৃণমূলের অত্যাচারের জন্য৷ মানুষ দিশেহারা হয়ে বিজেপির কাছে গিয়েছিল৷আমাদের গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলিকে একত্রিত হয়ে লড়াইটা চালিয়ে যেতে হবে৷ শুধু ভোটের জোট না, সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইতে রাস্তায় সমমনস্ক মানুষের জোটবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যেতে পারে৷”

উপনির্বাচনে জয়ের হ্যাটট্রিক করেছে তৃণমূল৷ গত বিধানসভা এবং সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে তৃণমূলের ভোট বেড়েছে বিপুল পরিমাণে। লোকসভার তুলনায় অবশ্যই বেশ খারাপ ফল করেছে বিজেপি, কিন্তু মোটের ওপর তারাই এই রাজ্যের দ্বিতীয় শক্তি হিসেবে জায়গা ধরে রাখল। অন্যদিকে, ভোট শতাংশ আরও কমে গিয়েছে জোটের।

গত ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জোটের শরিক হিসেবে কালিয়াগঞ্জে জিতেছিল কংগ্রেস। করিমপুর আর খড়গপুরে দ্বিতীয় স্থানে ছিল জোট। লোকসভা নির্বাচনের বিধানসভাভিত্তিক ফলের হিসেবে এই তিন কেন্দ্রেই তৃতীয় স্থানে পিছিয়ে গিয়েছিল তারা।

গত লোকসভা নির্বাচনের তুলনায়ও খারাপ ফল এবারের নির্বাচনে। জোটের যোগফল শুধু সামান্য বেড়েছে খড়গপুরে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উপনির্বাচনে জোট করে একেবারেই লাভ হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।