স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মুর্শিদাবাদের সালারে রেশন নিয়ে অশান্তির জন্য কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুলেছেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তার পাল্টা জবাব দিয়েছেন বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী। তিনি বলেছেন, রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীর দফতরের দুর্নীতি সবাই জানেন, মুখ্যমন্ত্রীও জানেন।খাদ্যমন্ত্রী সবেতেই টেন পার্সেন্ট কাটমানি খান। কম রেশন দেওয়ার অভিযোগে শনিবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় মুর্শিদাবাদের সালার।

এদিন সকালে রেশন ডিলারের বাড়িতে হামলা চালায় ক্ষুদ্ধ গ্রামবাসীরা। তাঁর বাড়ির সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা। রেশন নিয়ে অশান্তির এই ঘটনায় খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সরাসরি বিরোধী বিজেপি, কংগ্রেসের দিকেই আঙুল তুলেছেন।

তিনি বলেন, “রেশন দোকানের বাইরে একটা চার্ট দেওয়া আছে। সালারে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে প্ল্যানড বিক্ষোভ হয়ছে। দুটি রাজনৈতিক দল, বিজেপি ও কংগ্রেস, এই নোংরা রাজনীতি করল। মানুষের খাবার নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে তারা। দুজন ডিলারকে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু সালারে যে ঘটনা ঘটেছে তা রাজনীতি। সালারে উসকানি দেওয়া হয়েছে। “

এরপরই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এধরনের ঘটনা ঘটলে রেশন দোকান বন্ধ রাখা হবে। এর পাল্টা জবাব দিয়ে মুর্শিদাবাদের রবিনহুড বলেছেন, “বাংলার মানুষ কেন খাদ‍্য পাচ্ছে না? সেই প্রশ্ন তুলেছি। গত ৪০ দিন ধরে এই প্রতিবাদ করছি। রেশনের নিয়ে দুর্নীতি চলছে। কেন্দ্র স্বর্ণ চাল পাঠিয়েছে। কিন্তু মাঝ রাস্তায় চাল পাল্টাপাল্টি হয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দফতর খাদ‍্য দফতর।

আপনার দফতরের অক্ষমতা আপনি স্বীকার করুন। রেশন দোকান আপনার বাবার নয়। কংগ্রেসকে দোষ না দিয়ে খাদ‍্যমন্ত্রী নিজের চুরি করা সামলান। ঘাড়ে দোষ না চাপিয়ে চুরি আটকান। সরকারি দলের চাল চুরি করার অধিকার আছে আর বিরোধী দলের সাধারণ মানুষের হয়ে প্রতিবাদ করার অধিকার নেই?

অধীর চৌধুরী আরও বলেন, রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীর দফতরের দুর্নীতি সবাই জানে। মুখ্যমন্ত্রীও জানেন। সেজন্যই অফিসার বদল করে দিয়েছেন। খাদ্যমন্ত্রী সবেতেই ১০% কাটমানি খান। খাদ‍্যমন্ত্রীর আরেক নাম টেন পার্সেন্ট মন্ত্রী।”

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা