স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লাদাখ নিয়ে ফের কেন্দ্রকে নিশানা করলেন লোকসভার দলনেতা অধীর চৌধুরী। শনিবার ফের টুইট করে বললেন,”অর্ধেক রুটি খাব, কিন্তু চিনের বিরুদ্ধে বদলা নেব। দেশবাসী এখন এটাই চাইছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার যেন মানুষকে কনফিউজ না করে।”

লাদাখের গালোয়ানে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যুতে শোকের পাশাপাশি প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলছে দেশ। কেন এই ঘটনা ঘটলো তা নিয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে প্রশ্ন তুলেছেন সোনিয়া গান্ধী। ধারা অব্যাহত রেখে এবার মোদী সরকারকে শুক্রবারই একহাত নিয়েছেন অধীর চৌধুরী।

ওইদিনই টুইট করে অধীর বলেছেন, “সান্তনা চাই না। দেশের জনগণের পূর্ণ অধিকার রয়েছে এটা জানার, যে লাদাখের গালোয়ান ঘাঁটিতে ঐদিন কী হয়েছিল?” শুক্রবার সর্বদল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “কেউ আমাদের সীমায় ঢোকেনি। কেউ আমাদের সীমায় নেই। কোনও সেনা চৌকিও দখল হয়নি। লাদাখে আমাদের ২০ জওয়ান শহিদ হয়েছেন। কিন্তু ভারত মাতার দিকে যারা চোখ তুলে দেখেছে, তাঁদের শিক্ষা দিয়েছেন সেনা জওয়ানরা।”

মোদী এও বলেছেন, “এখন দেশ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। কেউ ভারত মাতার দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারে না। সেনা সবসময়, সব জায়গায় সচেষ্ট রয়েছে। সেনার হাতে সমস্ত অস্ত্র রয়েছে। দেশ তাঁদের উপর ভরসা রাখে, আর জওয়ানরাও সেই ভরসার সম্পূর্ণ মর্যাদা রেখে চলে।”

প্রধানমন্ত্রীর এই দাবির পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, চিনা সেনা যদি ভারতীয় ভূখণ্ডে না ঢুকে থাকে, তাহলে সংঘাত বাঁধল কেন? কেনই বা প্রাণ খোয়াতে হল ২০ জন জওয়ানকে? তাহলে চিনের সৈন্যরা কোথায় এবং কেন আক্রমণ করে বসল ভারতীয় সেনার উপর?

প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্নবাণে বিঁধে শনিবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র লিখেছেন, “সর্বদল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন গালওয়ানে কোনও অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি। ভারতীয় ভূখণ্ড বেদখলও হয়নি। আমি বুঝতে পারছি না, যদি কিছু না ঘটে থাকে, তাহলে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা কেন? কেন সেনা এবং কূটনৈতিক পর্যায় আলোচনা? কেন এই মৃত্যু?”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ