ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের সময় বাংলাদেশের মানুষ সীমানায় অনুপ্রবেশ করলে সংক্রমণ বাড়তে পারে। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকা এখনই সিল করে দেওয়ার অনুরোধ করলেন বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী। এই চিঠিতে আরও একটি দাবি করেছেন অধীর চৌধুরী। তিনি লিখেছেন, ভিন রাজ্য থেকে আগত শ্রমিকদের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। দেশ জুড়ে লকডাউন শুরু হওয়ায় নানা প্রান্তে আটকে পড়া বাসিন্দাদের রাজ্যে ফেরাতে নবান্নকে সক্রিয় হওয়ার আর্জি জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী।

মুখ্যমন্ত্রীকে এ নিয়ে চিঠিও দিয়েছিলেন তিনি। রাজ্য সরকার যাতে এ সংক্রান্ত একটি হেল্পলাইন চালু করে, তার প্রস্তাব দিয়েছেন কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা। উল্লেখ্য, করোনা মোকাবিলায় দিল্লিতে হুমায়ুন রোডের বাংলোয় অফিস সাজিয়ে বসেছেন অধীর। এখান থেকেই নিয়ন্ত্রণ করছেন গোটা দেশে আটকে পড়া বাঙালিকে সাহায্যের কাজ।

এদিনই সংবাদসংস্থা এএনআই-এর তরফে ৫৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, ভারত সেবাশ্রম কর্মীদের উপস্থিতিতে অধীর রঞ্জন চৌধুরী খাবার তৈরিতে হাত লাগিয়েছেন। পরিবেশনও করছেন। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ৩০ লাখ ও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে নিজের এক মাসের বেতন দান করেছেন। গত রবিবার লোকসভার অধ‌্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন নিজের এমপি ল‌্যাড থেকে এক কোটি টাকা তিনি করোনা প্রতিরোধে সরকারকে অনুদান দিচ্ছেন।

অন্যদিকে, করোনা আতঙ্কে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটসাঁট করা হয়েছে। বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সকে হাই-অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। ভার‍তের পাশাপাশি বাংলাদেশেও মারাত্মক আকার নিয়েছে। কেউ যাতে এই পরিস্থিতিতে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে না চলে আসতে পারে সেজন্যে পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের যেখানে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে সেখানে অ্যালার্ট করা হয়েছে বাহিনীকে।