ফাইল ছবি৷

কলকাতা: পুজো নিয়ে সোমবারের রায়ই কার্যত বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। সামান্য বদল এসেছে বুধবারের রায়ে। পুজো মণ্ডপে উপস্থিত থাকার সংখ্যা ১৫ থেকে বাড়িয়ে ৬০ করা হয়েছে। তবে দুর্গাপুজো নিয়ে হাইকোর্টের রায় কার্যকর করতে রাজ্য সরকার আদৌ তৎপর হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী।

দুর্গাপুজো নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার নিজেই স্বীকার করেছে যে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণ রক্ষা করতে হাইকোর্টের কাছে বিকল্প কোনও পথ খোলা ছিল না। উৎসবের আনন্দে ঘাটতি হলেও জীবন সবার আগে। এটা মনে রাখতে হবে।’’

দর্শকশূন্যই থাকবে পুজো মণ্ডপ, আগের রায় বহাল হাইকোর্টে। তবে বুধবার পুজোর অনুমতি রায়ে বেশ কিছু ছাড়ও দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। যাতে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলবে পুজো উদ্যোক্তাদের। আদালত জানিয়েছে, বড় পুজোগুলিতে প্রবেশের জন্যে একটি তালিকা বানাতে হবে।

সেই তালিকাতে ৬০ জন থাকবে মাত্র। ৬০ জনের তালিকা হলেও একসঙ্গে থাকতে পারবেন সর্বোচ্চ ৪৫ জন। ৩০০ বর্গ মিটারের কম মাপের মণ্ডপের জন্য ১৫ জনের তালিকা। ১৫ জনের তালিকা হলেও একসঙ্গে থাকতে পারবেন ১০ জন। উদ্যোক্তা ও স্থানীয়দের নামের তালিকা রোজ আপডেট করা যাবে বলে নির্দেশে জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

তবে পুজো নিয়ে হাইকোর্ট রায় দিলেও সেই রায় কার্যকর করতে রাজ্য সরকার কতটা তৎপর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অদীর চৌধুরী। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেছেন অধীর। তিনি বলেন, ‘‘হাইকোর্টের রায় রাজ্যে কার্যকর কর হবে কিনা ত নিয়ে সন্দেহ আছে। মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পুলিশ প্রশাসন হাইকোর্টের রায় কার্যকর করতে কতটা উদ্যেগী হবেন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে৷’’

এরই পাশাপাশি দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য় প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন অধীর। তিনি বলেন, ‘‘চিকিৎসার খরচ চালাতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। বেড, চিকিৎসার অভাবে মানুষ মরছে। মহামারীর সময়ে যে টাকা সাধারণ মানুষের কাজে লাগানো যেত সেই টাকা ভোট পুজোয় খরচ করলেন।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.