বহরমপুর: প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করলেও বিচ্ছেদে রাজি নন তাঁর স্ত্রী অর্পিতা চৌধুরি। শুধু তাই নয়, তিনি বলেন, অধীরবাবু আবার চৌধুরি ভিলায় ফিরে আসুন। কারণ তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এই বাড়িই পয়া। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে অর্পিতাদেবী বলেন, এর আগে অধীরবাবু বিবাহ বিচ্ছেদের নোটিস পাঠিয়েছিলেন, তা রিসিভ করিনি। এবার তা গ্রহণ করেছি। গত ২৬সেপ্টেম্বর তিনি বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেছেন। ২০১৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলাটি আদালতে উঠবে। ওই দিন আমি আদালতে হাজির থাকব। তবে আমি বিবাহ বিচ্ছেদ চাই না। কেবলমাত্র সাধারণ গৃহবধূ হিসাবে এখানে থাকতে চাই। অধীরবাবু চৌধুরি ভিলায় ফিরে আসুন, এটাই চাই। ওঁর রাজনৈতিক জীবনের উত্থান এই বাড়ি থেকেই। এই বাড়ি তাঁর কাছে পয়া।
অধীরবাবু ও অর্পিতাদেবীর সম্পর্কের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলছে। বছর খানেক আগে একবার বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেছিলেন অধীরবাবু। সেই মামলা তিনি তুলেও নিয়েছিলেন। ফের তিনি বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেছেন। সেই মামলার নোটিস হাতে নিয়ে এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করেন অর্পিতাদেবী৷অধীর জায়া এদিন নির্দিষ্ট করে এক মহিলা ও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।