স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বাজেট পেশের আগেই দফায় দফায় উত্তাল হয়ে উঠল বিধানসভা৷ আবদুল মান্নানের সাসপেনশন ও সম্পত্তি রক্ষা আইনের প্রতিবাদ জানিয়ে শুক্রবারও বিধানসভার বাইরে চলছে কংগ্রেসের বিক্ষোভ৷ অধীর চৌধুরী ও সুজন চক্রবর্তী নেতৃত্বে রাস্তায় বসে বিক্ষোভে সামিল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস৷ অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন প্রচুর নিরাপত্তাকর্মী৷বিজেপি অবশ্য বিক্ষোভ কর্মসূচী থেকে নিজেদের দূরে রেখে বাজেট অধিবেশনে অংশগ্রহণ করছে৷

এদিন সকাল থেকে বিধানসভার সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালাচ্ছেন মহিলা কংগ্রেস দল৷ বিনা অনুমতিতে বিধায়কদের সঙ্গে বিধানসভায় ঢুকে পড়েন কংগ্রেস কর্মীরা ৷ পুলিশ বাধা দিলেও ঢুকে পড়েন তারা৷ আকাশবাণীর সামনে থেকে কয়েকজন মহিলা কংগ্রেস কর্মীকে আটক করে পুলিশ৷ বেলা গড়াতেই বিধানসভায় আসেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী ৷ কং পরিষদীয় দলের সঙ্গে বৈঠক করে অধিবেশনে সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল, খুঁটিয়ে জেনে নেন ৷ এরপরই কংগ্রেস কর্মী বিধায়কদের সঙ্গে বিক্ষোভে যোগ দেন ৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই অধীরের সঙ্গে সুজন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বিক্ষোভে যোগ দেন বাম কর্মী ও বিধায়করা৷এদিন অধীর চৌধুরী বলেন, সরকারের টাকায় আমাদের দলের নেতা মান্নান সাহেবের চিকিৎসা হবে না৷ দলের টাকায় ওনার চিকিৎসা হবে না৷

আব্দুল মান্নানকে সাসপেন্ড করা নিয়ে বুধবারই তোলপাড় হয় অধিবেশন। বৃহস্পতিবারই বিধানসভাকাণ্ড ও সম্পত্তি রক্ষা আইনের প্রতিবাদ জানিয়ে নজিরবিহীন ভাবে একযোগে বাজেট বয়কটের কথা ঘোষণা করে বাম ও কংগ্রেস৷ চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই তার ঝাঁঝ আরও বাড়িয়ে দিল বিরোধীরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।