স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দেশে প্যাসেঞ্জার ট্রেনের বেসরকারিকরণ নিয়ে ফের মোদী সরকারের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করলেন প্রাক্তন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী। এবিষয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার বহরমপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে অধীর চৌধুরী বলেন, সরকার ১০৯ টি গুরুত্বপূর্ন রুটের ট্রেন বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে যখন বেকারত্ব বাড়ছে, মানুষের পকেটে টান পড়েছে, আর্থিক সংকটে মানুষ, তখন রেল বেসরকারিকরণ করার ফলে রেলের মত এতদিনের সুলভ ও সুবিধাজনক পরিবহন কি সাধারণ মানুষের পকেটের আয়ত্তে থাকবে?

তাঁর প্রশ্ন, রেল লাইন, কোচ নির্মাণ বা সিগন্যালিং ব্যবস্থার জন্য কেন বেসরকারি পুঁজি চাওয়া হচ্ছে না? সমস্ত খরচ বহন করবে সরকার আর বেসরকারি কোম্পানি শুধু রেল চালিয়ে মুনাফা করবে? এতে আখেরে কার লাভ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার? কার স্বার্থে ?

প্রাক্তন রেল প্রতিমন্ত্রীর কথায়, “ভারতীয় রেল প্রতিদিন প্রায় আড়াই কোটি মানুষকে পরিবহন করে, রেল একটা পরিষেবা, রাষ্ট্রের দায়িত্ব।” তাঁর আরও প্রশ্ন, আজ রেলকে বেসরকারি হাতে তুলে দিলে সাধারণ মানুষের সুবিধে অসুবিধে কি তারা দেখবে? তারা তো মুনাফা করবে?আগামী দিনে মুনাফার রেসে বাকি সরকারি ট্রেন গুলোও মার খাবে, এই সমস্যা কে মেটাবে?”

এদিকে, প্যাসেঞ্জার ট্রেনের বেসরকারিকরণের পরিকল্পনা প্রত্যাহারের দাবি তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রেলমন্ত্রীকে টুইট করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে রেলের কর্মী সংগঠন। অতি লাভজনক রুটকে বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দিলে কোনও ইয়ার্ডে ট্রেন রক্ষণাবেক্ষণ করবেন না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কর্মীরা।

পাশাপাশি ট্রেন চালক, গার্ড, ট্রাকম্যান কেউই কাজে যোগ দেবেন না। আন্দোলনকে বৃহত্তর রূপ দিতে সব প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন তাঁরা। শুক্রবার কলকাতায় পূর্ব রেলের সদর দফতর-সহ চারটি ডিভিশনাল সদর কার্যালয় ও তিনটি ওয়ার্কশপের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসবে পূর্ব রেলের মেনস ইউনিয়ন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ