দেবযানী সরকার, কলকাতা: ‘আমি মার খানেওয়ালা নই, দেনেওয়ালা৷’ মন্তব্য বহরমপুরের রবিনহুড অধীর চৌধুরীর৷

অধীর মানেই রাফ-এন্ড-টাফ৷ সেই ইমেজই তাঁকে ইভিএমে ডিভিডেন্ট দিল বলে মনে করা হচ্ছে৷ রাজ্যে যখন বেহাল কংগ্রেসের অবস্থা৷ তখন প্রদেশ কংগ্রেসের শিবরাত্রির অন্যতম সলতে তিনি৷ ভোটের ব্যবধানই ইঙ্গিত দিচ্ছে জয় তাঁর কাছে সময়ের অপেক্ষা৷

আরও পড়ুন: রাজ্যে বিজেপির উত্থানে শঙ্কিত সোমেন মিত্র

শুক্রবার ভোট শেষে বহরমপুরে অধীর বলেন, ‘‘আমি মার খানেওয়ালা নই, দেনেওয়ালা৷ আমাকে হারাতে শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক চেষ্টা করেছেন৷ কিন্তু পারেননি৷ মানুষ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন৷’’ প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নিশানায় রাজ্যের শাসক দল৷

রাজ্যের যেকটি পকেটে কংগ্রেস টিঁকেছিল তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ অন্যতম৷ সৌজন্যে অধীর চৌধুরী৷ সেই অধীরকে বিপদে ফেলতেই দলের ডাকাবুকো নেতা শুভেন্দুকে দায়িত্ব দেন তৃণমূল সুপ্রিমো৷ অধীর ঘনিষ্ট কংগ্রেসের দুজন বিধায়ককে ঘাসফুল শিবিরে আনেন পরিবহণমন্ত্রী৷ উত্তাপ বাড়ে প্রচারে৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা পরিণত হল বৃথা চেষ্টায়৷ দুর্গ দখলে রাখলেন অধীর৷ ফের একবার অধীর মমতা লড়াইয়ে পরাজিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী৷