স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: টেট ইস্যুতে সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে লাগাতার আন্দোলনে নামছে প্রদেশ কংগ্রেস৷ শনিবার বেলডাঙার বড়ুয়া মোড়ে ব্লক কংগ্রেসের ডাকা এক জনসভা থেকে এমনই হুংকার দেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি।এদিন তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশের ব্যাপম কেলেঙ্কারির পর এ রাজ্যে সব থেকে বড় কেলেঙ্কারি হল টেট কেলেঙ্কারি।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, ‘ রাজ্য সরকার চাকরি দিতে চাইছে না। তাই এসএমএস প্রথা চালু করেছে। রাজ্য সরকার চাইছে কেউ হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্ট যাক আর টেটে স্থগিতাদেশ পড়ুক। উত্তরপ্রদেশে সব থেকে বড় কেলেঙ্কারি ব্যাপম কেলেঙ্কারি। সারদা কাণ্ডের পর এই রাজ্যে আর একটা বড় কেলেঙ্কারি হল টেট কেলেঙ্কারি। পরীক্ষায় না বসেও এখানে এসএমএসের মাধ্যমে চাকরি পাওয়া যায়। আর যারা প্রকৃত চাকরি প্রাপক তাঁরা চাকরির দাবিতে ধরনায় বসে প্রাণ সংকটের মুখে পড়েছেন’।

অধীরবাবু বলেন, এই মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মানুষকে আরও বেশি করে সিগারেট খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে ৫০০ কোটি টাকার তহবিল গড়েছিলেন। কথা ছিল সেই টাকা আমানতকারীদের দেওয়া হবে। চিটফান্ড কাণ্ডে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ সর্বস্বান্ত হয়েছেন। কিন্তু সেই ৫০০ কোটি টাকার তহবিল থেকে আমানতকারীদের ঘরে এক টাকাও জমা পড়েনি। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।

এদিন নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন রবিনহুড৷বলেন, দাদার কীর্তির নায়ক তাপস পাল দিদির কীর্তি করতে গিয়ে ভুবনেশ্বরের জেলে পচছে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে সততার প্রতীক ভেবে বীরের মতো ভুবনেশ্বরে গিয়ে জেলে ঢুকেছেন। আর একটু অপেক্ষা করুন, দেখবেন আমাদের শশীকলাও ভুবনেশ্বরের জেলে ঢুকেছেন।
এদিনের সভায় হাজির ছিলেন জেলা কংগ্রেসের সভাপতি বিধায়ক আবু তাহের খান, বেলডাঙার বিধায়ক সফিউর জামান, হুমায়ুন কবীর, জয়ন্ত দাস প্রমুখ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।