নয়াদিল্লি: এবার লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে এসেছে গেরুয়া ঝড়। তৃণমূলের মূল বিরোধী হিসেবে আরও স্পষ্ট হয়েছে বিজেপির নাম। আর কংগ্রেস ও সিপিএমের অস্তিত্ব প্রায় নেই বললেই চলে। তবু এই দুর্দিনেও নিজের গড় টিকিয়ে রেখেছেন অধীর চৌধুরী। প্রায় ৮০,০০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বহরমপুরে। বলা যায়, কংগ্রেসের শেষ আশা-ভরসা হয়ে উঠেছেন রবিন হুড।

তাই এবার হাই কমান্ডের বিশেষ নজরে তিনি। লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা হিসেবে অধীর চৌধুরীকে বেছে নেওয়া হতে পারে। এমনই ইঙ্গিত মিলেছে কংগ্রেস শিবির থেকে। যদিও এখনও পর্যন্ত অধীর চৌধুরী এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

আগামী সোমবার থেকে শুরু হতে চলেছে লোকসভার বাজেট অধিবেশন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত লোকসভায় দলীয় নেতা বাছার সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। পাশাপাশি, গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরকারকে কোণঠাসা করতে কৌশল ঠিক করার বিষয়েও গুছিয়ে উঠতে ব্যর্থ বিরোধী শিবির।

জানা গিয়েছে, সর্বদল বৈঠকে ছিলেন বাংলার কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী এবং কেরলের কংগ্রেস সভাপতি কে সুরেশ। তাঁদের সঙ্গে রবিবারের ওই বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতা গুলাম নবি আজাদ। এরপর থেকেই অধীরের নাম নিয়ে জল্পনা উঠেছে। অধীর বা সুরেশের মধ্যে কাউকে লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা হিসেবে বেছে নিতে পারে হাইকমান্ড।

এই পদে অবশ্য সাংসদ শশী থারুরের নামও শোনা যাচ্ছে। এর আগে কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা করার পরে লোকসভায় দলনেতা হিসেবে রাহুল গান্ধীর নাম শোনা গিয়েছিল। তবে তিনি পদত্যাগ না করায় সেই সম্ভাবনা আর থাকছে না।