স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নারদা ও সারদা কান্ড ধীরে ধীরে তৃণমূলকে অন্তর্জলি যাত্রার পথে নিয়ে যাচ্ছে। এসএমএইচ মির্জার গ্রেফতারি পর এমনই মন্তব্য করলেন বহরমপুরের সাংসদ তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

সাড়ে তিন বছর পর আজ বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয়েছে সিনিয়র আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জাকে।

ক’দিন আগে ভয়েস স্যাম্পেল নেওয়ার জন্য এসএমএইচ মির্জাকে তলব করেছিল সিবিআই। তার পর তাঁকে আজ গ্রেফতার করা হল। সিবিআই সূত্রের খবর, নারদ কাণ্ড নিয়ে খুব শিগগির তারা আদালতে চার্জশিটও পেশ করবে।

এপ্রসঙ্গে অধীর বলেন, “মির্জা একটা চুনোপুঁটি, এবার সিবিআই এর ঘরে রুই কাতলা দেখতে পাবো।”

এ দিন বেলা বারোটা নাগাদ এসএমএইচ মির্জাকে গ্রেফতার করে সিবিআই দফতরে নিয়ে আসা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের কিছু সাংসদ ও মন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্টিং অপারেশন চালিয়েছিলেন নারদ নিউজের কর্ণধার ম্যাথু স্যামুয়েল। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়া একমাত্র পুলিশ কর্তা এসএমএইচ মির্জার বিরুদ্ধে স্টিং অপারেশন চালিয়েছিলেন ম্যাথু। পরে বিজেপি-র প্রকাশ করা ফুটেজে দেখা গিয়েছিল, নিজের বাংলোর বৈঠকখানায় বসে লুকোনো ক্যামেরার সামনে টাকা নিচ্ছেন মির্জা। প্রসঙ্গত, মির্জা শাসক দলের শীর্ষ স্তরের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন।

এপ্রসঙ্গে সোমেন মিত্র বলেন, ” অনেক আগেই মির্জার গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল। কেন এত দেরি হল জানিনা। তবে দেরিতে হলেও যে শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে এটাই ভালো ব্যাপার। আইনের চোখে যেই অপরাধী তাকেই শাস্তি পেতে হবে। মির্জা একজন পুলিশ হয়ে জানতেন না ওইভাবে টাকা নিতে নেই।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ