কলকাতা: বিপাকে পড়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। রাজ্যে আসন্ন উপনির্বাচনে দলের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত বিধানভবন৷ লোকসভা এবং একটি বিধানসভা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার পক্ষে ও বিপক্ষেই জোর সওয়াল করছেন নেতা-নেত্রীরা। তাই এখনও এনিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি রাজ্য কংগ্রেস। আগামী সোমবার এই বিষয়ে বৈঠক ডেকেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি।
তমলুক ও কোচবিহার লোকসভা এবং মন্তেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে দলের সাংগঠনিক শক্তিও তেমন নয়। এই পরিস্থিতিতে লড়াই থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখা উচিত বলেই মনে করেন একাংশ। দলের আরেক অংশের ধারণা, নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে অংশ না নিলে তা সাংগঠনিক স্তরে তো বটেই,রাজনৈতিকভাবেও অস্তিত্বের সংকট আরও তীব্র হবে। তৃণমূল ও বামফ্রন্ট তাদের প্রার্থীর নাম ইতিমধ্যে ঘোষণা করে দিয়েছে। কংগ্রেস তার দোলাচল কাটিয়ে এনিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। তাঁর দুই পূর্বসূরি সোমেন মিত্র ও প্রদীপ ভট্টাচার্য, পরিষদীয় দলের উপনেতা নেপাল মাহাত, বিধায়ক অসিত মিত্র, সংসদ সদস্য মৌসম বেনজির নুর, এ এইচ খান চৌধুরি (ডালু), অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, প্রাক্তন এমপি দীপা দাশমুন্সি প্রমুখ রাজ্য নেতৃত্বকে বৈঠকে ডাকা হয়েছে। পাশাপাশি, তমলুকের জন্য পূর্ব মেদিনীপুর, কোচবিহার এবং মন্তেশ্বরের জন্য বর্ধমানের জেলা সভাপতিকেও ডাকা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, কংগ্রেস পরিষদীয় নেতা আবদুল মান্নান রবিবার দিল্লি যাচ্ছেন। তিনি বৈঠকে থাকবেন না। মান্নান সাহেব বলেন, আমি থাকতে পারছি না, তা আগেই রাজ্য সভাপতিকে জানিয়ে দিয়েছি। উপনির্বাচনের ব্যাপারে আমার মতামত অধীর জানে। এই ব্যাপারে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তা দল নেবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।