ফাইল ছবি৷

নয়াদিল্লি: লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে চিনা আগ্রাসন নিয়ে আবারও অধীর চৌধুরীর নিশানায় কেন্দ্রীয় সরকার। অধীরের দাবি, ‘চিনা সেনার পিছু হঠার ঘটনায় এটাই প্রমাণিত হল, যে ওরা আমাদের ভূখণ্ডে ঢুকেছিল।’ টুইটে এভাবেই কেন্দ্রকে কটাক্ষ করেছেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী।

‘ভারতীয় সেনার মতো হিমালয়ের অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়ায় অভ্যস্ত নয় চিনা সেনা। ওরা পিছু হঠতেই পারে। তবে এটা প্রমাণিত যে ওরা আমাদের ভূখণ্ডে ঢুকে এসেছিল।’ টুইটে লিখেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। লাদাখের গালওয়ানে চিনা সেনার অনুপ্রবেশ রুখতে গিয়ে ভারতের ২০ জওয়ান শহিদ হয়েছেন।

যা নিয়ে শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করে চলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কেন্দ্রের পরিকল্পনার ব্যর্থতার জেরেই বীর জওয়ানদের শহিদ হতে হয়েছে বলেও তোপ দেগেছেন রাহুল।

রাহুলের পথেই কেন্দ্রকে আক্রমণ শানাচ্ছেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী। সোমবার পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকা থেকে দুই কিলোমিটার পিছনে সরেছে চিনা সেনা। এমনকী তাঁবু, গাড়িও সরিয়ে নিয়েছে লালফৌজ। ভারতীয় সেনার দাবি, কয়েকটি এলাকায় এখনও গাড়ি-সহ মোতায়েন রয়েছে চিনা সেনা। তবে লালফৌজের ওপর সজাগ দৃষ্টি রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর।

লাদাখে চিনা আগ্রাসন নিয়ে এর আগে সর্বদল বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গালওয়ানে চিনা সেনার অনুপ্রবেশ হয়নি বলে সেই বৈঠকে বিরোধীদের জানিয়েছেলিন মোদী। তবে প্রধানমন্ত্রীর সেই মন্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ মতামত বলে তোপ দেগেছিলেন বিরোধীরা। বিশেষত কংগ্রেস শুরু থেকেই মোদীর সেই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এমনকী মোদীকে ‘মিথ্যাবাদীও’ বলেন একাধিক কংগ্রেস নেতা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ