স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বাংলা সফরের মধ্যেই কৃষি আইনের বিরুদ্ধে অভিনব প্রতিবাদ জানাল প্রদেশ কংগ্রেস। কলকাতার রাজপথে ট্রাক্টর চালালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও লোকসভার কংগ্রেস দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, মানুষের করুণ পরিণতির জন্য ‘দিদি-মোদী’র সরকার সমানভাবেই দায়ী।

শুক্রবার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের সামনে থেকে শুরু হয়ে চৌরঙ্গি ও ময়দান লাগোয়া রাজপথ ধরে কংগ্রেসের ট্রাক্টর মিছিল শেষ হয় গাঁধী মূর্তির কাছে এসে। এদিন অধীর চৌধুরী বলেন, “আমাদের দেশে ৬৪ কোটি মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। নতুন এই আইনের জন্য কৃষককে তাদের তৈরি ফসল জলের দরে বিক্রি করতে হবে। তাদের সমস্যা আরও বেড়ে যাবে।

এই জন্যেই পাঞ্জাব, হরিয়ানায় কৃষকদের প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে।” একই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বিরোধিতা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “বাংলায় কৃষকদের জন্য মান্ডির সুবিধা নেই। বাংলায় কৃষকদের অবস্থা খুবই খারাপ সেই কারণে তাদের অন্য রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে কাজের জন্য।”

অধীর চৌধুরী বক্তব্য, দেশে এখন যে ভাবে একটি নির্দিষ্ট সংস্থার মোবাইল পরিষেবাকে জাঁকিয়ে বসার সুযোগ দেওয়া হয়েছে সেই একই কায়দায় কৃষিকে কর্পোরেটের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। যার ফলে কৃষকেরা ওই সব সংস্থার খুশি মতো দামে ফসল বেচতে বাধ্য হবেন।

কৃষি আইনের প্রতিবাদের সঙ্গে অমিত শাহের বাংলা সফরকে জুড়ে অধীরের কটাক্ষ, “অমিত শাহ কলকাতায় এসেছেন। কিন্তু এখানে কৃষকদের কথা, শ্রমিকদের কথা বলছেন না। দুই দিন ধরে কোথাও মতুয়া, কোথায় আদিবাসীদের বাড়িতে খাচ্ছেন। তিনি যদি আদিবাসীদের এতই ভালোবাসেন তাহলে কেন হাথরসের সময় চুপ করে ছিলেন?”

এদিন মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত অগুনিত কংগ্রেস কর্মী , জেলা সভাপতি, বিধায়ক, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শ্রী আব্দুল মান্নান, বিধানসভায় কংগ্রেস দলের মুখ্য সচেতক শ্রী মনোজ চক্রবর্তী প্রমুখ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।