স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে রাজ্য সরকার তাঁর প্রাপ্য সম্মান দেয়নি। কিংবদন্তি অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে এই অভিযোগ করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। কিন্তু এই অভিযোগ এড়িয়ে গেলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কন্যা পৌলমী বসু। তিনি বললেন, “অধীরবাবু আসায় আমরা খুশি, তবে এই নিয়ে বিতর্ক চাই না।”

বুধবার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের গল্ফগ্রিনের বাড়িতে তাঁর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে যান অধীর চৌধুরী। সকাল ১১টা নাগাদ সেখানে পৌঁছন তিনি। প্রায় মিনিট ১৫ সৌমিত্রবাবুর বাড়িতে ছিলেন অধীর চৌধুরী। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নামে অডিটোরিয়াম তৈরির প্রস্তাব রাজ্য সরকারকে দিয়েছেন অধীরবাবু।

অধীর চৌধুরীর এই প্রস্তাবের প্রসঙ্গ শুনে স্বাভাবিকভাবেই খুশি সৌমিত্র-কন্যা পৌলমী বসু। তিনি বলেন, “এটা দারুণ একটা প্রস্তাব। ওনাকে ধন্যবাদ এমন প্রস্তাব দেওয়ার জন্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বাবার নামে একটি আর্কাইভ করা হবে।”

এদিন অধীর চৌধুরী সর্বপ্রথম সৌমিত্র-কন্যা পৌলমীকে ধন্যবাদ জানান তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ জানানোর সুযোগ দেওয়ার জন্য এবং তিনি সৌমিত্র-কন্যা পৌলমিকে জাতীয় কংগ্রেসের তরফ থেকে সবসময় ও সবরকম ভাবে পাশে থাকার আশ্বাস জানান। সৌমিত্র-কন্যার পাশে দাঁড়িয়ে অধীর জানান, উনি প্রবাদ প্রতিম অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে পেরে এবং ওনার ঘর পরিদর্শনের সুযোগ পেয়ে ভীষণ ভাবে আপ্লুত। তিনি এও বলেন, প্রয়াত অভিনেতার ঘর পরিদর্শন তাঁর কাছে মহাতীর্থস্থান দর্শনের সমান।

এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলেন,”তৃণমূল দল ২০১১ তে ক্ষমতায় এসেই সৌমিত্র বাবু কে বিভিন্ন পদ থেকে সরাতে শুরু করলো, যে মানুষ টা শিল্প সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বহু কমিটির মাথায় বসে বাংলার শিল্প কলাকে আরও প্রসারিত করতে পারতেন তাকে অবজ্ঞা করে অচ্ছুৎ করেই রাখা হল। এই ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।” বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী সৌমিত্র বাবুর একটি সংগ্রহ শালা করার জন্যও রাজ্য সরকারের উদ্যোগী হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন অধীর চৌধুরী।

তবে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় যেদিন মারা গিয়েছিলেন সেদিনই বেলভিউতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন পৌলমী বসু। তিনি বলেছিলেন, ”যখন সুযোগ পেয়েছি, বলতে চাই দিদি ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। বাবাকে এত যত্ন, এত ভালোবেসে, এত সম্মান দিয়ে দেখাশুনো করার জন্য ধন্যবাদ। আমাদের পরিবার এটা ভুলবে না। যা সম্মান ওঁর প্রাপ্য ছিল, তার থেকেও বেশি সম্মান পেয়েছেন। ভালবেসে নিজের পরিবারের মতো আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I