ফাইল ছবি৷

স্টাফ রিপোর্টার, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য কাটোয়া-আজিমগঞ্জ শাখায় ট্রেন চালানোর আবেদন জানিয়ে রেলমন্ত্রী পীযুষ গয়ালকে চিঠি দিলেন বহরমপুরের সাংসদ তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। লকডাউনের আগে যেমন ট্রেন চলত, সেই পরিস্থিতি আবার ফিরিয়ে আনার দাবি করেছেন অধীরবাবু।

মুর্শিদাবাদ জেলার সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগের জন্য ভাগীরথীর দুই পাড়ে দুটি শাখায় ট্রেন চলে। বুধবার থেকে লালগোলা-শিয়ালদা শাখায় মাত্র দু’জোড়া ট্রেন দেওয়া হয়েছে। যাত্রীর সাপেক্ষে দু’জোড়া ট্রেন যথেষ্ট কম বলেই দাবি করছেন যাত্রীরা।

অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, তির্সা তোর্সা এক্সপ্রেস নিউ আলিপুরদুয়ারে যাওয়ার পথে সালারে থামে কিন্তু শিয়ালদহের দিকে ফেরার সময়ে সেখানে দাঁড়ায় না। ডাউন তির্সা তোর্সার নিয়মিত স্টপ সালারে দেওয়ার দাবিও তুলেছেন প্রাক্তন রেল প্রতিমন্ত্রী।

বাংলায় লোকাল ট্রেন চালুর দাবি জানিয়েও রেলমন্ত্রীকে কিছুদিন আগে চিঠি দিয়েছিলেন অধীর চৌধুরী। লিখেছিলেন, ‘করোনার জেরে সাধারণ মানুষ এখন অসহায়। তাঁদের রুজিরুটি চরম সঙ্কটে। লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা সমস্যায় পড়ছেন। ফলে অবিলম্বে এই পরিষেবা চালু করা হোক। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এখন লোকাল ট্রেন চলছে, তাই বাংলাতেও রেল পরিষেবা স্বাভাবিক করা হোক।’

উল্লেখ্য, লকডাউনের সময় ভিনরাজ্যে আটকে পড়া বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফেরাতে তৎপর হন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। তখনও তিনি রেলমন্ত্রী পীযুষ গয়ালকে চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতে থেকে স্পেশাল ট্রেন ছাড়তে আবেদন করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।