ফাইল ছবি৷

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন বাদুড়িয়ার বিধায়ক কাজি আবদুর রহিম। তাঁর দলত্যাগের পর উত্তর ২৪ পরগনায় কংগ্রেসের আর একজনও রইলেন না। শনিবার তৃণমূল ভবনে এসে তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন কাজি আবদুর রহিম।

এদিন তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর কাজি আব্দুল রহিম বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই পারবেন রাজ্যকে বিজেপি থেকে মুক্ত করতে। এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসা করেন তিনি। সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিধায়ক আরও বলেন, কঠিন আর্থিক পরিস্থিতির মধ্যেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

সোমেন মিত্রর মৃত্যুর পর অধীর চৌধুরি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর সংগঠনে রদবদল করেছিলেন। উত্তর ২৪ পরগনা গ্রামীণের জেলা সভাপতি পদে ছিলেন বিধায়ক কাজি আবদুর রহিম। কিন্তু অধীর চৌধুরি জেলাস্তরে রদবদল করতে গিয়ে তাঁকে সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে সাধারণ সম্পাদক করেন। তাতেই তিনি ভীষন ক্ষুব্ধ হন বলে কংগ্রেসের অন্দরের খবর।

বিধায়কের দলবদল প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরির প্রতিক্রিয়া, “বাদুড়িয়ার কংগ্রেস বিধায়ক গত ছ’মাস ধরে তৃণমূলে যোগদান করবেন কি করবেন না সেই ভাবনায় ব্যস্ত ছিলেন। আমাদের কাছে খবর ছিল। ওনাকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। যাই হোক ওনার মনে হয়েছে তৃণমূল পার্টির এই পড়ন্ত বেলায় যোগদান করলে কিছু লাভ হতে পারে। কিন্তু উনি এবার আর জিততে পারবেন না।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিয়ে অধীর বলেন, ” ‘দিদি’ , আপনি মনে করতে পারেন কংগ্রেস দল ভাঙালাম, বিরাট কিছু করে ফেললাম। কিন্তু মনে রাখবেন, সাপুড়েকে সাপের কামড়েই মরতে হয়। খুব তাড়াতাড়িই আপনি দেখবেন, তাসের ঘরের মত আপনার পার্টি ভোটের আগেই কেমন ভেঙে পড়ছে, মিলিয়ে নেবেন ‘দিদি’। যে দল ভাঙানোর খেলা আপনি বাংলায় শুরু করেছিলেন সে খেলাতেই তৃণমূল পার্টি খতম হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I