কলকাতা: রাস্তায় বেরোলেই তেলেভাজা, ফুচকা, চকোলেটের দোকানে আটকে যায় আপনার চোখ? সামলে রাখা যায় না নিজের খাদ্যরসকে। এমনটাই স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। কিন্তু এটাই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই খারাপ। মাঝে মাঝে এমন হয় যে খুঁজে ঝাল খেতে খেতে মিষ্টি খাবার ইচ্ছে জাগে। কারণ আমরা ভাবি মিষ্টি খেয়ে নিলে ঝালভাব কমে যাবে। এরপর আবার মিষ্টি কিছু খেয়ে চলে ঝাল বা মশলাদার কিছু ভক্ষণ। এই ধারাটা চলতেই থাকে যতক্ষণ না আপনার পেট ও মন ভরছে। যেমন মদ বা ধূমপানে আসক্তি হয় তেমনই বিশেষ কোনো খাবারের প্রতিও হয় আসক্তি। তাই কম মশলাদার, স্বাদ কম, দেখতে ততটা লোভনীয় নয় এমন খাবার খাওয়ার মতো ক্ষমতা সবার থাকে না। তবে স্বাস্থ্যকর ব্যক্তিদের কাছে আসক্তির চেয়ে বেশি জরুরি স্বাস্থ্য। দুই-একদিন ডাক্তারেরাও খাবারের ছক ভেঙে ফেলেন। আমাদের মস্তিষ্কে বিশেষ খাবারের আসক্তি জন্ময়। তাই এই আসক্তিই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ওজন কমাতে না পারারও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে এই আসক্তি আপনি কমাতে পারেন সহজেই।

১. প্রচুর জলপান করুন। এতে পেটও ভরে যাবে। তাই টুকটাক খিদে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। অনেকের ক্ষেত্রে তেষ্টা পেলেই তারা ঠান্ডা পানীয় খেয়ে ফেলেন। এটাই ভুল। তাই জল খেয়ে নিজেকে এসবের থেকে দূরে রাখুন। আবার জল পানের নির্দিষ্ট সময় বেঁধে নিতে পারেন।

২. বাইরে বেরোলে চিউইং গাম কিনুন। সেটা চিবোতে গিয়ে অনেকটা সময় কেটে যাবে। আবার মুখের ব্যায়ামও হয়ে যাবে। খাওয়ার ইচ্ছেকে দমিত করবে এই চিউইং গাম।

আরো পড়ুন:  একা থাকলেই বাড়বে ইন্টারনেট আসক্তি: সমীক্ষা

৩. অনেক সময়ে খুব মানসিক চাপে থাকলে আমরা জাঙ্ক ফুড খেয়ে ফেলি। তাই আগে মন থেকে সরান স্ট্রেস। আবার ওজনের বৃদ্ধির জন্যেও স্ট্রেস খারাপ। নিজেকে হালকা রাখুন।

৪. খাবার গ্রহণের সময় নির্ধারণ করে ফেলুন। কখন কী খাবার খাবেন সেই তালিকা নিজেই বানান ও মেনে চলুন। দরকারে ফোনে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন যাতে একটাও খাবার মিস না হয়ে যায়। এতে পেট ভরা থাকবে সবসময়। তাই বাড়তি খাবারের দরকার পড়বে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।